মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
উত্তরায় গড়ে উঠেছে ইট-বালি-পাথরের শক্তিশালী চোর সিন্ডিকেট”দিনে ব্যবসায়ী, রাতে চোর চক্র: ৯ দিন পেরিয়ে গেলেও সন্তানের খোঁজ না পেয়ে দিশেহারা পরিবার নিখোঁজ ১২ বছরের সাব্বির: ইকবাল বাহিনীর দখলবাজি: কোটি টাকার জমি গ্রাসে সশস্ত্র হামলা,ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি। ডিয়াবাড়িতে ৬ ঘণ্টা গরুসহ খামারি আটক, হাসিলের নামে চাঁদা দাবীর অভিযোগ। ডিয়াবাড়ি পশুর হাট: স্টিকারের নামে ৫ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ। দিয়াবাড়ি পশুর হাটে চরম অব্যবস্থাপনা: ত্রিমুখী  চাঁদাবাজী চার সেক্টর জুড়ে গরু হাট” তুরাগের নয়ানীচালায় স্বামীর পরকীয়ায় গৃহবধূর আত্মহত্যা, উত্তরায় তিন পরিবহনের চাঁদাবাজী মাসে কোটি টাকার বেশি  জিপি নামক চাঁদায় অসহায় চালক ও মালিকরাঃ  উত্তরায় রিকশা তাড়াতেই কাটছে ট্রাফিক পুলিশের দিন, দালাল চক্রের নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কে অটোরিকশাঃ  গৌরীপুরে পাম্প থেকে ৫০ হাজার লিটার জ্বালানি গায়েব, বিএনপি নেতা বহিষ্কার❞

বাজারে আগুন! তেল, ডিম আর সবজির দাম বেড়েই চলেছে

রিপোর্টার নাম ঃ / ৯৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন

রাজধানীর বাজারে ভোজ্য তেল সয়াবিন ও পামঅয়েলের দাম বেড়েছে। এছাড়া গত এক সপ্তাহ ধরে ডিমের দাম বাড়তি। মাঝে সবজির দর কিছুটা কমলেও আবার দাম বেড়েছে। সব মিলিয়ে স্বস্তি নেই নিত্যপণ্যের বাজারে।

 

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাওরান বাজার, শান্তিনগর ও তুরাগ এলাকার নতুনবাজারে খোঁজ নিয়ে বিভিন্ন পণ্যের দামের এ চিত্র পাওয়া যায়। সয়াবিন, পামঅয়েলের দাম বাড়ার বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এখনো অনুমোদন না দিলেও গতকাল খুচরাবাজারে তা লিটারে দুই টাকা বেড়েছে। প্রতি পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিনে ১০ টাকা বেড়ে ৯১০ থেকে ৯৩০ টাকা ও এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিনে দুই টাকা বেড়ে ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, প্রতি লিটার পামঅয়েলে দুই টাকা বেড়ে ১৫৫ থেকে ১৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) গতকাল তাদের বাজারদরের প্রতিবেদনে সয়াবিন ও পামঅয়েলের দাম বাড়ার বিষয়টি জানিয়েছে। এদিকে আগের বাড়তি দরেই বিক্রি হচ্ছে ডিম।

গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজন ফার্মের ডিম ৮ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, বর্তমানে সবজি ও মাছের দাম বেশি হওয়ায় ডিমের চাহিদা বেড়েছে। এ কারণে ডিমের দাম বাড়তি।

বর্তমানে ফার্মের প্রতি ডজন বাদামি রঙের ডিম ১৪৮ থেকে ১৫০ টাকা ও সাদা রঙের ডিম ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে যথাক্রমে ১৪০ ও ১৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে ডিমের দাম বাড়লেও ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম বাড়েনি। আগের দরেই প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা ও সোনালি মুরগি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

গাজীপুরের আজিরন পোলট্রি ফার্মের স্বত্বাধিকারী মো. তফাজ্জল হোসেন ইত্তেফাককে বলেন, খামারিরা যদি সরাসরি ঢাকায় ডিম বিক্রি করতে পারত তাহলে তারা যেমন উপকৃত হতো, তেমনি ভোক্তারাও তুলনামূলক কম দামে ডিম পেত। কিন্তু কয়েক হাত ঘুরে তার পর ভোক্তার কাছে ডিম পৌঁছায়। এতে ডিমের দাম বেড়ে যায়। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে অনেকবার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি। তাদের বলেছি, ঢাকায় ১৪-১৫টি স্থানে ডিমের পাইকারি বাজার করে দিতে। কিন্তু হয়নি। তিনি বলেন, ডিমের সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠলে বাজার কখনো অস্থির হবে না।

সবজিতে স্বস্তি নেই

রাজধানীর বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি। উলটো সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো কোনো সবজির দাম বেড়েছে। গতকাল বাজারে প্রতি কেজি পটোল ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে, যা গত সপ্তাহে ৬০ টাকা কেজি ছিল। অন্যান্য সবজির দামেও চড়াভাব রয়েছে। বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন ধরনের সবজির মধ্যে প্রতি কেজি বেগুন ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ থেকে ৯০ টাকা, বরবটি, ঢ্যাঁড়শ ৭০ থেকে ৮০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, মুলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সবজির এই দাম মানভেদে কমবেশি হয়ে থাকে। সবজির মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২২ টাকায়। বাজারে শীত মৌসুমের শিম, ফুলকপি ও বাঁধাকপি উঠেছে। তবে দাম বেশ চড়া। প্রতি কেজি শিম ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, ছোট আকারের একটি ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সবজির পাশাপাশি বাজারে মাছের দামও চড়া। চাষের মাছের দামে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও নদীর মাছ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। গতকাল বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাছের মধ্যে প্রতিকেজি বোয়াল আকারভেদে ৫০০ থেকে ৮৫০ টাকা, কোরাল ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকা, আইড় ৫৫০ থেকে ৭৫০ টাকা, চাষের রুই, কাতল ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, পাঙাশ ২০০ টাকা, ট্যাংরা ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, শিং ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকা, শোল ৫৫০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *