মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর ডিয়াবাড়ি গরুর হাটের পাশে মেট্রোরেলের নিচের সড়কে গরু পরিবহনের সময় চারটি গরুসহ এক খামারির গাড়ি দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা আটকে রেখে হাসিলের টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে হাট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। পরে তুরাগ থানা পুলিশের দীর্ঘ হস্তক্ষেপে গরুগুলো ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় তারা।
ভুক্তভোগী খামারির নাম মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। তিনি জামালপুর জেলা থেকে চারটি গরু নিয়ে পঞ্চবটী হয়ে ডিয়াবাড়ির ১০ নং ব্রিজ হয়ে মেট্রোরেলের নিচ দিয়ে মিরপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথে ডিয়াবাড়ি হাটের পাশের সড়কে ১০নং ব্রিজ পৌঁছাইলে হাট কর্তৃপক্ষের লোকজন তার গাড়ি আটকে দেয় এবং হাসিলের টাকা দাবি করে।
*ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামান বলেন,সিটি কর্পোরেশন অবশ্যই রাস্তা ভাড়া দেয়নি। আমি রাস্তা দিয়ে আমার খামারের গরু নিয়ে যাচ্ছি, এতে ওদের প্রতিবন্ধকতা কী? কেন আমার কাছে চাঁদা দাবি করছেন? সাধারণ মানুষ কি হাটের আশপাশের রাস্তা দিয়ে গরু নিয়ে যাতায়াত করতে পারবে না?”
জানা গেছে, প্রায় ৬ ঘণ্টা আটকে রাখার পর বিষয়টি তুরাগ থানা পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশের দীর্ঘ চেষ্টায় হাট কর্তৃপক্ষ গরুগুলো ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
ডিয়াবাড়ি গরুর হাটটি চলতি বছর প্রায় ১৪ কোটি টাকায় ইজারা নিয়েছেন শেখ ফরিদ। হাটের ইজারা শর্ত অনুযায়ী, হাটের নির্ধারিত সীমানার বাইরে এবং সরকারি সড়কে গরু আটকে হাসিল আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
এ বিষয়ে তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজ বলেন, “একটি ফোনের মাধ্যমে ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং খামারির গরুগুলো ছাড়িয়ে আনি। আমরা অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” হাট ইজারাদার শেখ ফরিদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার নম্বরে কল করা হলেও ফোনে বন্ধ দেখায়।