শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন

রাজনীতি কি ও কেন?
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন –
রাজনীতি হলো শ্রেষ্ঠ নীতি বা নীতির রাজা।যে নীতি দ্বারা একটা দেশ ও সেই দেশের মানুষের উন্নতি ও কল্যাণ স্বাদিত হয়।রাজনীতিকে রাজার নীতি ও বলা হয়ে থাকে।কারণ রাজা প্রজাসাধারণের শান্তি শৃঙ্খলা সমৃদ্ধির জন্য যে সব নীতিমালা গ্রহণ করেন তাহাই রাজনীতি।
রাজনৈতিক আদর্শ হলো রাজনীতি করার প্রয়াসে রাজনৈতিক দল গুলো কিছু কর্মসূচী গ্রহণ করে এবং তা বাস্তবায়ন করতে কতক নীতিমালা তৈরি করে আর ঐ নীতি সমুহকে আদর্শ বলা হয়।
মনে রাখবেন প্রত্যেক দলই দেশ ও মানুষের কল্যাণে
তাদের নিজ নিজ আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে চেষ্টা অব্যাহত রাখে।জনগণ যাদের আদর্শ পছন্দ করে তাদেরকে নির্বাচিত করে থাকে।
রাজনৈতিক দল গুলোর উচিৎ নিজের দলের আদর্শ সর্বপ্রথম নিজেদের চরিত্রে প্রতিষ্ঠিত করে তার সুফল জনগণের সামনে উপস্থাপন করা।আদর্শিক ভাবে যারা যতট জনগণের কাছে যেতে পারবে তারা ততোটাই তাদের আদর্শ জনগণকে প্রভাবিত করবে।
জনগণের মনজয়করা সকল দলের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।
কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো- বর্তমানে রাজনৈতিক দল’গুলোর মধ্যে শিষ্টাচারের বড়ই অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
রাজনৈতিক অঙ্গন ক্রমশ কলুষিত,প্রতিহিংসা ও প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার মতো ঘৃণ্যতম ঘটনা বাড়ছে। পাশাপাশি বাড়ছে প্রতিপক্ষের নেতাদের লক্ষ্য করে অশোভন ভাষার ব্যবহারও। অথচ রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে দেশের সাধারণ মানুষ এ ধরনের কাদা ছোড়াছুড়ি আশা করে না। এ ধরনের কর্মকান্ড কখনো দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। অনুরূপ সাংবাদিক নামধারী দলকানাদের কর্মকান্ডও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভেদণ্ডবিভাজন ও সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। নিকট অতীতে এ ধরনের ঘটনার বহু নজির আছে।
শুধু রাজনৈতিক নয়’এরা সামজিক ভাবেও একটা বিভেদের প্রাচীর দাড়করিয়েছে।বিয়েসাদী এবং খতনা চল্লিশায়ও একদলের মনুষ্য অন্য দলের লোককে দাওয়াত দেয়না।বিষয়টি বড়ই হাস্যকর।
আমি নিজেও এর ভুক্তভোগী। অনেক নেতা রয়েছেন যাদের সাথে সখ্যতা ছিলো তারা দেখলে এড়িয়ে চলে।
রাজনৈতিক শিষ্টাচার দলগুলোর বড় নেতাদের থেকে শুরুহওয়া দরকার।এটা হলে পাতি নেতারাও শুধরে যাবে। আসুন দোয়াকরি! ছোট থেকে বড় নেতৃবৃন্দের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত হোক।দেশ দুর্নীতি মুক্ত হয়ে সমৃদ্ধির পথে এগিয়া যাক।বাংলাদেশ চিরজীবী হোক#