শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
তুরাগের নয়ানীচালায় স্বামীর পরকীয়ায় গৃহবধূর আত্মহত্যা, উত্তরায় তিন পরিবহনের চাঁদাবাজী মাসে কোটি টাকার বেশি  জিপি নামক চাঁদায় অসহায় চালক ও মালিকরাঃ  উত্তরায় রিকশা তাড়াতেই কাটছে ট্রাফিক পুলিশের দিন, দালাল চক্রের নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কে অটোরিকশাঃ  গৌরীপুরে পাম্প থেকে ৫০ হাজার লিটার জ্বালানি গায়েব, বিএনপি নেতা বহিষ্কার❞ ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু, ভর্তি ৮০ “ত্রিশালে বাবার হাতে শিশু সন্তান খুন” উত্তরায় পুলিশের ওপর হামলা: অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাং লিডারসহ গ্রেফতার ৮ আদালতে পাঠানো ১৬” টাকা না দেওয়ায় দুই শিক্ষার্থীকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চালান উত্তরায় রাজউকের মোবাইল কোর্ট : রেস্টুরেন্ট, ফাস্টফুড ও বিভিন্ন দোকান সিলগালা লিজকৃত জমি থেকে জোরপূর্বক বালু উত্তোলন, বাধা দেওয়াই মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি

বিরানি খেয়ে বংশালের এক মাদ্রাসার অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী ঢামেকে ভর্তি

অনলাইন ডেস্ক / ৯৯ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন

বিরানি খেয়ে রাজধানীর ‘আল জামিয়া মদিনাতুল উলুম ফোরকানীয়া মাদ্রাসা’র অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ শনিবার সন্ধ্যায় তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম হাইদারী ও আবু জাফর বলেন, গত শুক্রবার তাদের মাদ্রাসায় বাহির থেকে খাবার দিয়ে যায়। সেই খাবার খেয়ে আমরা শিক্ষার্থী, শিক্ষক, স্টাফসহ সকলে অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমাদের অনেকেরই পেট ব্যথা দেখা দিয়েছে। পাতলা পায়খানা ও বমি শুরু হয়েছে। পরে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক ফারুক মিয়া বলেন, অসুস্থদের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাদের মেডিসিন বিভাগে পাঠান। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মাদ্রাসায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী স্টাফসহ প্রায় ১৭০ জন লোকবল রয়েছে বলে জানিয়েছেন মাদ্রাসাটির প্রিন্সিপাল মাসুম বিল্লাহ।

অসুস্থ আরেক শিক্ষক বলেন, মাদ্রাসায় মাঝে মধ্যে অনেকেই খাবার দিয়ে থাকেন। গতকাল দুপুরে এক ব্যক্তি গরুর বিরানী দিয়ে গিয়েছিলেন। এর আগে তাদের মাদ্রাসায় ছিল মুরগির বিরানি। দুপুরে মুরগির বিরানি খেয়ে ছিল। পরে বাহির থেকে দেওয়া গরুর বিরানী রাতে খেয়েছিলাম।

ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এক চিকিৎসক জানান, খাবার খেয়ে ফুড পয়জনিং হয়ে এ অবস্থা হয়ে থাকতে পারে। আমরা তাদের কে মেডিসিন বিভাগে পাঠিয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *