,


শিরোনাম:
«» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা। «» জিএম কাদেরের ফোন ছিনতাই করে ২৩ হাজার টাকা বিক্রি, বসুন্ধরা মার্কেট থেকে ৮ দিন পর খোলা ফোন উদ্ধার। «» শেরে-বাংলা নগরে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই চলছে সরকারি দপ্তরের গাড়ির তেল চুরি «» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ।

সুনামগঞ্জে পুলিশের মামলায় ৪ গ্রামে পুরুষ শূণ্য: গ্রেফতার ৩

হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জে জলমহাল দখল ও ভাগ ভাটোয়ারা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সময় এক
বৃদ্ধকে ধারালো ছুরি দিয়ে হত্যা করার ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় আরো ৩জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- জেলার ধর্মপাশা উপজেলার পাইকরহাটি ইউনিয়নের বেখইজুরা গ্রামের মিয়াজ হোসেনের ছেলে জুয়াদ
মিয়া (৫৫), একই গ্রামের সজল খানের ছেলে রনি খান (৩৫) ও শেলবরশ গ্রামের স্বপন চৌধুরীর ছেলে তানিন চৌধুরী (২৫)। আজ ১৪ই জানুয়ারী বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল বুধবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ডিবি পুলিশের সহযোগীতায় অভিযান চালিয়ে উপরের উল্লেখিত ৩জনকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে আরো ২১জনকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এঘটনার পর থেকে
ধর্মপাশা উপজেলার সুনুই,বেখইজুরা,নদার ও শেলবরশ গ্রামের শতকরা ৯০ভাগ পুরুষ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে। এর ফলে অভিভাবকহীন হয়ে সীমাহীন কষ্ঠের মাঝে দিন-যাপন করছে পালিয়ে যাওয়া পরুষদের অসহায় স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবার-পরিজন।
বর্তমানে তারা সবাই রয়েছে ভয়াবহ আতংকের মাঝে। কারণ হত্যাকান্ডের ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। চলছে পুলিশি অভিযান। এব্যাপারে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়- জেলার ধর্মপাশা উপজেলার সুনুই জলমহালের মালিকানা ও ভাগ-ভাটোয়ারা নিয়ে প্রভাবশালী দুইটি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত দ্বন্দ চলছিল। তারই জের ধরে গত বৃহস্পতিবার রাতে ২য় গ্রুপের পক্ষে সুবল বর্মন তার লোকজন নিয়ে ১ম গ্রুপের চন্দন বর্মনের বাড়িঘর ও
জলমহালের খলায় অগ্নি-সংযোগ করে। এসময় ২য় গ্রুপের লোকজনকে বাঁধা দিতে ১ম গ্রুপের শ্যামা চরণ বর্মন (৬৫) এগিয়ে আসলে ধরালো ছুরি দিয়ে তার গলায় আঘাত করে। তাতে ঘটনাস্থলেই বৃদ্ধ শ্যামা চরণের মৃত্যু হয়। এঘটনা খবর
পেয়ে পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ২৩জনকে গ্রেফতার করে এবং থানায় নিয়ে ২জনকে ছেড়ে দেয়।
এঘটনার প্রেক্ষিতে ধর্মপাশা থানার এসআই আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে ৬০- ৬৫জনকে অজ্ঞাত আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আর ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা ২১জনকে জেলহাজতে পাঠায়। কিন্তু নিহতের ছেলে চন্দন বর্মন
বাদী হয়ে ৬৩জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করতে থানায় গেলে মামলাটি পুলিশ গ্রহণ করেনি বলে জানিয়েছেন নিহতে ছোট ভাই মনীন্দ্র চন্দ্র বর্মন। ধর্মপাশা থানার ওসি মোহাম্মদ দিলোয়ার হোসেন এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে
এই প্রতিবেদককে বলেন- জেলার আলোচিত সুনুই নদীর জলমহাল নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত আদালতে মামলা চলছে। এজন্য আমরা চাই না কোন নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানীর শিকার হওক। তাই ন্যায় বিচারের স্বার্থে উপরস্থ কর্মকর্তার
নির্দেশে আমরা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করেছি। তবে অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ