শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
তুরাগের নয়ানীচালায় স্বামীর পরকীয়ায় গৃহবধূর আত্মহত্যা, উত্তরায় তিন পরিবহনের চাঁদাবাজী মাসে কোটি টাকার বেশি  জিপি নামক চাঁদায় অসহায় চালক ও মালিকরাঃ  উত্তরায় রিকশা তাড়াতেই কাটছে ট্রাফিক পুলিশের দিন, দালাল চক্রের নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কে অটোরিকশাঃ  গৌরীপুরে পাম্প থেকে ৫০ হাজার লিটার জ্বালানি গায়েব, বিএনপি নেতা বহিষ্কার❞ ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু, ভর্তি ৮০ “ত্রিশালে বাবার হাতে শিশু সন্তান খুন” উত্তরায় পুলিশের ওপর হামলা: অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাং লিডারসহ গ্রেফতার ৮ আদালতে পাঠানো ১৬” টাকা না দেওয়ায় দুই শিক্ষার্থীকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চালান উত্তরায় রাজউকের মোবাইল কোর্ট : রেস্টুরেন্ট, ফাস্টফুড ও বিভিন্ন দোকান সিলগালা লিজকৃত জমি থেকে জোরপূর্বক বালু উত্তোলন, বাধা দেওয়াই মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি

সন্তানদের নিয়ে ৮০০ কিলোমিটার হাঁটলেন বাবা

রিপোর্টার নাম ঃ / ১১০ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন

সন্তানদের নিয়ে ৩১ দিনে ৮০০ কিলোমিটার পথ হেঁটেছেন এক বাবা। উদ্দেশ্য- সন্তানদের শক্ত-সামর্থ করে তোলা, টিকে থাকার সক্ষমতা ও মনোবল বাড়ানো।
চীনের ওই ব্যক্তির পারিবারিক নাম উ। তার দুই সন্তান ১০ বছরের মেয়ে এবং ৮ বছরের ছেলে। গত ১৭ জুলাই উ দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে দক্ষিণ চীনের শেনজেনের বাওআন থেকে এক মাসের জন্য বেরিয়ে পড়েন। তাদের গন্তব্য দেশটির মধ্যাঞ্চলের হুনান প্রদেশ।

যদিও এই ব্যক্তি শুরুতে নিজেই ভাবতে পারেননি, তাঁর দুই শিশুসন্তান শেষ পর্যন্ত এতটা পথ হেঁটে সফলভাবে পাড়ি দেবে। সংবাদমাধ্যমে উ বলেন, ‘আমি ভাবিনি, ওরা শেষ পর্যন্ত যেতে পারবে। আমার মুক্তির আনন্দ হচ্ছে, একই সঙ্গে আমি তাদের জন্য গর্ব অনুভব করছি।’

সাধারণত নিজের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকেন উ, সন্তানদের খুব একটা সময় দিতে পারেন না। দুই বছর আগে উ একবার এমন পরিকল্পনা করেছিলেন। সেবার তিনি ছেলে-মেয়েকে হাঁটিয়ে তাঁর নিজের শহর হুনানে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাচ্চাদের বয়স কম হওয়ায় সেবার তাকে পিছিয়ে আসতে হয়েছিল।

উ বলেন, ‘হাইকিংয়ের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমি তাদের মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে চেয়েছিলাম। তারা সহজেই হাল ছেড়ে দেওয়ার স্বভাবের ছিল, চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লে পিছিয়ে যেত।’

আমি চেয়েছিলাম, তারা যেন দৃঢ়ভাবে লেগে থাকে এবং যা শুরু করবে, তা শেষ করার অভ্যাস গড়ে তোলে।

হেঁটে এই ভ্রমণে উ নিজে ১০ কেজি ওজনের একটি ব্যাকপ্যাক বহন করেছেন। দুই ছেলে-মেয়ের কাঁধে ছিল পাঁচ কেজি ওজনের একেকটি ব্যাগ। প্রতিদিন তাঁরা অন্তত ২৩ কিলোমিটার হাঁটতেন।

হাঁটার সময় বাচ্চারা ক্লান্ত হয়ে পড়লে উ তাদের নানা কথা বলে সাহস দিতেন।

উ বলেন, ‘যখন আমি খেয়াল করতাম তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছে, আমি তাদের বলতাম, তারা তাদের বাবার চেয়েও শক্তিশালী।’ এতটা পথ হাঁটতে গিয়ে উ-র পায়ে ফোসকা পড়েছে। কিন্তু শিশু দুটির পা অক্ষত ছিল। শুধু হাঁটার মাধ্যমে নয়, বরং এই সফরে উ তার সন্তানদের আয় বুঝে ব্যয় করার শিক্ষাও দিয়েছেন।

উ বলেন, তিনি ছেলে-মেয়েকে দৈনন্দিন খরচের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিতেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *