শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
তুরাগের নয়ানীচালায় স্বামীর পরকীয়ায় গৃহবধূর আত্মহত্যা, উত্তরায় তিন পরিবহনের চাঁদাবাজী মাসে কোটি টাকার বেশি  জিপি নামক চাঁদায় অসহায় চালক ও মালিকরাঃ  উত্তরায় রিকশা তাড়াতেই কাটছে ট্রাফিক পুলিশের দিন, দালাল চক্রের নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কে অটোরিকশাঃ  গৌরীপুরে পাম্প থেকে ৫০ হাজার লিটার জ্বালানি গায়েব, বিএনপি নেতা বহিষ্কার❞ ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু, ভর্তি ৮০ “ত্রিশালে বাবার হাতে শিশু সন্তান খুন” উত্তরায় পুলিশের ওপর হামলা: অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাং লিডারসহ গ্রেফতার ৮ আদালতে পাঠানো ১৬” টাকা না দেওয়ায় দুই শিক্ষার্থীকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চালান উত্তরায় রাজউকের মোবাইল কোর্ট : রেস্টুরেন্ট, ফাস্টফুড ও বিভিন্ন দোকান সিলগালা লিজকৃত জমি থেকে জোরপূর্বক বালু উত্তোলন, বাধা দেওয়াই মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি

যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতি মামলার প্রধান আসামি আব্দুস সালাম গ্রপ্তার

রিপোর্টার নাম ঃ / ৪৮ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন

যশোর শিক্ষা বোর্ডের প্রায় সাত কোটি টাকার চেক জালিয়াতি মামলার প্রধান আসামি ও বোর্ডের সাবেক সহকারী হিসাবরক্ষক আব্দুস সালামকে গ্রপ্তার করেছে পুলিশ। প্রায় চার বছর পলাতক থাকার পর বুধবার (২৭ আগস্ট) গভীর রাতে যশোর শহরের উপশহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আব্দুস সালাম বিশেষ জালিয়াতি মামলার (স্পেশাল মামলা নম্বর ৯/২৩) ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপশহর ফাঁড়ির পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করে রাতে অভিযান চালায় এবং তাকে নিজ বাসা থেকে গ্রপ্তার করে। পরে বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

২০২১ সালের অক্টোবর মাসে যশোর শিক্ষা বোর্ডের অভ্যন্তরীণ তদন্তে প্রথমে ৯টি চেক ঘষামাজা করে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ মেলে। পরে তদন্তের পরিধি বাড়ালে বেরিয়ে আসে আরও ২৯টি চেক জালিয়াতির তথ্য। সব মিলিয়ে ৩৮টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়।

ঘটনার তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের তৎকালীন উপ-পরিচালক আল-আমিন মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

আসামিরা হলেন- যশোর শিক্ষা বোর্ডের বরখাস্তকৃত হিসাব সহকারী আব্দুস সালাম, ঠিকাদার ভেনাস প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের মালিক শরিফুল ইসলাম বাবু, শেখহাটি জামরুলতলা এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল আলম, পোস্ট অফিসপাড়ার গাজী নূর ইসলাম, বড় বাজার জামে মসজিদ লেনের প্রত্যাশা প্রিন্টিং প্রেসের মালিক রুপালী খাতুন, উপশহর ই-ব্লকের সহিদুল ইসলাম, রকিব মোস্তফা, শিক্ষা বোর্ডের সহকারী মূল্যায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, নিম্নমান সহকারী জুলফিকার আলী, চেক ডেসপাসকারী মিজানুর রহমান ও কবির হোসেন। তবে চার্জশিটে বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সচিবকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আদালত চার্জশিট গ্রহণ করেন এবং সকল আসামির বিরুদ্ধে গ্রপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর থেকে তারা পলাতক ছিলেন।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি আবুল হাসনাত জানান, আব্দুস সালাম যশোর শিক্ষাবোর্ডের চেক জালিয়াতির ঘটনায় দায়ের করা স্পেশাল ৯/২৩ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। তিনি দীর্ঘদিন পলাতক জীবনযাপন করছিলেন। হঠাৎ তাকে নিজ বাড়ি এলাকায় দেখা যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপশহর ফাঁড়ি পুলিশ বুধবার গভীর রাতে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রপ্তার করে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *