শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন

এখন থেকে সব ধরনের সরকারি ক্রয়ে ই-জিপি বা ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের অভ্যন্তরীণ কার্য ক্রয়ে বিদ্যমান ১০ শতাংশ (প্লাস-মাইসান) মূল্যসীমা বাতিল করা হয়েছে। সরকারি ক্রয়ে সুশাসন জোরদারকরণ এবং স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন প্রণীত পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর), ২০২৫ কার্যকর করা হয়েছে।
এর আগে ২৮ সেপ্টেম্বর কার্যকর হওয়া পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারাবাহিকতায় এ বিধিমালা কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে দেশে সরকারি ক্রয় পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশোধিত পিপিএ, ২০০৬ এবং নতুনভাবে প্রণীত পিপিআর, ২০২৫ উভয়ই যুগপৎভাবে কার্যকর হয়েছে। পিপিআর, ২০২৫-এ মোট ১৫৪টি বিধি ও ২১টি তপশিল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আইন ও বিধিতে আনা প্রধান পরিবর্তনগুলোর মধ্যে রয়েছে তার মধ্যে অভ্যন্তরীণ কার্য ক্রয়ে বিদ্যমান ১০ শতাংশ (প্লাস-মাইসান) মূল্যসীমা বাতিল করা হয়েছে। সব ধরনের সরকারি ক্রয়ে ই-জিপি বাধ্যতামূলক। চুক্তি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রকৃত উপকারভোগী প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া টেকসই সরকারি ক্রয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তন, প্রতিটি প্রকিউরমেন্টে কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নের বাধ্যবাধকতা, ভৌতসেবাকে স্বতন্ত্র প্রকিউরমেন্ট ক্যাটাগরি হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান, ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট ও নেগোসিয়েশনের ক্ষেত্র সম্প্রসারণ; একটি ডিবারমেন্ট বোর্ড প্রতিষ্ঠা; সম্পদ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত সুস্পষ্ট বিধান উল্লেখযোগ্য।
এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ‘এটি সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় প্রতিযোগিতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।