শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
তুরাগের নয়ানীচালায় স্বামীর পরকীয়ায় গৃহবধূর আত্মহত্যা, উত্তরায় তিন পরিবহনের চাঁদাবাজী মাসে কোটি টাকার বেশি  জিপি নামক চাঁদায় অসহায় চালক ও মালিকরাঃ  উত্তরায় রিকশা তাড়াতেই কাটছে ট্রাফিক পুলিশের দিন, দালাল চক্রের নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কে অটোরিকশাঃ  গৌরীপুরে পাম্প থেকে ৫০ হাজার লিটার জ্বালানি গায়েব, বিএনপি নেতা বহিষ্কার❞ ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু, ভর্তি ৮০ “ত্রিশালে বাবার হাতে শিশু সন্তান খুন” উত্তরায় পুলিশের ওপর হামলা: অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাং লিডারসহ গ্রেফতার ৮ আদালতে পাঠানো ১৬” টাকা না দেওয়ায় দুই শিক্ষার্থীকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চালান উত্তরায় রাজউকের মোবাইল কোর্ট : রেস্টুরেন্ট, ফাস্টফুড ও বিভিন্ন দোকান সিলগালা লিজকৃত জমি থেকে জোরপূর্বক বালু উত্তোলন, বাধা দেওয়াই মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি

গাজায় যুদ্ধবিরতি ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান সৌদি আরব ও ফ্রান্সের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ৬১ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন

ফিলিস্তিন-ইসরাইল দ্বন্দ্বের অবসানে একটি কার্যকর ও স্থায়ী দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়নে ‘স্পষ্ট, সময়সীমাবদ্ধ ও অপরিবর্তনীয়’ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব ও ফ্রান্স।

রিয়াদ ও প্যারিসের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত এক ঘোষণাপত্রে গাজায় ২১ মাস ধরে চলা যুদ্ধ অবসানের মধ্য দিয়ে সমাধান প্রক্রিয়া শুরু করার কথা বলা হয়েছে।

বুধবার (৩০ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে জিও নিউজ।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরপরই গাজায় একটি অস্থায়ী প্রশাসনিক কমিটি গঠন করতে হবে, যা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আওতায় পরিচালিত হবে। সেই সঙ্গে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ম্যান্ডেটভুক্ত একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা মিশন মোতায়েনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ মিশনে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বেশ কয়েকটি রাষ্ট্র।

ঘোষণায় ইসরাইলি নেতৃত্বের প্রতি স্পষ্ট আহ্বান জানানো হয়—তারা যেন একটি সার্বভৌম ও কার্যকর ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে জনসমক্ষে প্রতিশ্রুতি দেয়। সেই সঙ্গে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে দখল, ভূমি অধিগ্রহণ ও সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।

ঘোষণাপত্রে আরও বলা হয়, ‘শুধু গাজায় যুদ্ধের অবসান, সকল জিম্মির মুক্তি, দখলদারিত্বের সমাপ্তি, সহিংসতা ও সন্ত্রাস পরিত্যাগ, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং ইসরাইল-ফিলিস্তিন উভয়ের জন্য নিরাপত্তার পূর্ণ নিশ্চয়তা দিলেই—এই অঞ্চলে সহাবস্থান ও স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণাপত্র মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এক কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে আরব ও ইউরোপের যৌথ উদ্যোগ হিসেবে এটি আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *