,


শিরোনাম:
«» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা। «» জিএম কাদেরের ফোন ছিনতাই করে ২৩ হাজার টাকা বিক্রি, বসুন্ধরা মার্কেট থেকে ৮ দিন পর খোলা ফোন উদ্ধার। «» শেরে-বাংলা নগরে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই চলছে সরকারি দপ্তরের গাড়ির তেল চুরি «» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ।

তুরাগে মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করাকে কেন্দ্র করে পুলিশের উপর বস্তিবাসীর হামলা। 

তুরাগ প্রতিনিধিঃ রাজধানীর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত তুরাগ থানাধীন এলাকা কামারপাড়া বালুর মাঠ বস্তি এলাকা থেকে গতকাল ২২ মার্চ মঙ্গলবার দুপুর ২ টার দিকে তৌসিফ (২৪) পিতা আনোয়ার (৪৫) নামক এক মাদক ব্যবসায়ীকে ২০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে নিয়ে আসার পথে বস্তিতে থাকা সকল মাদক ব্যবসায়ী এক হয়ে পুলিশের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। ঘটনাস্থলেই সোর্সসহ পুলিশের ৭ সদস্য মারাত্মকভাবে আহত হয়। এছাড়াও পুলিশের এস আই টিপু, এ এস আই মিজান ও এ এস আই রউফ আহত হয়। ঘটনার একপর্যায়ে পুলিশ হামলাকারীদের ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় সড়কের উপর অটোরিকশার সাথে ধাক্কা লেগে হামলাকারী এক মহিলা আহত হয় পড়ে। এস আই টিপুর সহযোগিতায় তাকে টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।জানাযায় বিভিন্ন সময় স্থানীয় প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠালে কিছু দিনের মধ্যেই আবারও বের হয়ে মাদকের স্পট বানিয়ে ঢালাই সাজিয়ে বসে ডেকে ডেকে মাদক ব্যবসা করেন ১০ নাম্বার সেক্টর বালুর মাঠ বস্তিতে।

গত কয়েকমাস আগে স্থানীয় কাউন্সিলর যুবরাজ হোসেনের নেতৃত্বে ওই এলাকায় গড়ে উঠা সকল অবৈধ স্থাপনার মধ্যে বসবাসকারী মাদক কারবারিদের উচ্ছেদ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে জানা যায়, ষ্ট্যাম্পে গণস্বাক্ষর করে আর মাদকের ব্যবসা না করার প্রতিজ্ঞা করে তারা। দুদিন না পেরুতেই আবারও শুরু হয়ে যায় রমরমা এই মাদক ব্যবসা। এর আরো কয়েকদিন পর স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা মাদক সেবন ও বিক্রির ছবি তুললে তাদের উপর এই চক্রটি চড়াও হয় এবং ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের হস্তক্ষেপে তারা সেখান থেকে বেরিয়ে আসে।

পুলিশের উপর হামলার বিষয়ে উত্তরা জোনের উপ পুলিশ কমিশনার জানান, ঘটনাস্থলে আমি ফোর্স পাঠিয়েছি। আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং হামলার বিষয়ে সুনিশ্চিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ