,


শিরোনাম:
«» রাজধানীর তুরাগে ডোবা থেকে অজ্ঞাত তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার «» উত্তরায় মা দিবস উপলক্ষে ৩০জন রত্নগর্ভা ‘মা’কে সম্মাননা «» উত্তরায় শিনশিন জাপান হাসপাতালে রোগীকে আটক রেখে নয় লাখ টাকা বিল। «» আবদুল আউয়াল ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ «» তুরাগ বাসীসহ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কৃষকলীগের সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন «» চাঁপাইনবাবগঞ্জে সার ডিলারদের অনিয়মে জিম্মি কৃষক ও চাষিরা «» ঢাকা-আশুলিয়া মহাসড়কে গাড়ির চাপায় সাবেক পুলিশ সদস্য নিহত «» চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান এমপি হাবিব হাসান। «» মশার অসহ্যকর যন্ত্রণায় তিক্ত তুরাগবাসী, দায়িত্বশীলরা বলছেন অসহায়ত্বের কথা «» তুরাগে মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করাকে কেন্দ্র করে পুলিশের উপর বস্তিবাসীর হামলা। 

লক্ষ্মীপুরের বশিকপুর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার সন্ধানে সংবাদ সম্মেলন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বরকত উল্যাহকে ফেনী থেকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। বুধবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে বরকতের সন্ধান চেয়ে জেলা শহরের একটি পত্রিকা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করে তার মা সালেহা বেগম। এসময় বরকতের বড় ভাই সালাহ উদ্দিন ও বোন বিউটি বেগম উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে ফেনী থেকে নিখোঁজ হওয়ায় বরকতের মা সালেহা বেগমের জিডির আবেদন করলেও তা গ্রহণ করেনি পুলিশ। তবে পুলিশ জানিয়েছে বরকত হত্যা, অস্ত্র ও নারী নির্যাতনসহ কয়েকটি মামলার আসামি। পুলিশও তাকে খুঁজছে।

বরকত সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছসেবক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়নের বিরাহিমপুর গ্রামের মৃত সুলতান আহমদের ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে বরকতের মা সালেহা বেগম বলেন, বরকত প্রায় দুই বছর ওমান ছিল। সেখান থেকে এসে চট্টগ্রামে সে গার্মেন্টসের মালামাল কিনে বিক্রি করতো। রোববার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে সে রিজার্ভ একটি গাড়ি দিয়ে লক্ষ্মীপুর আসছিল। কিন্তু কে বা কারা তাকে তুলে নিয়ে গেছে। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

বরকতের বোন বিউটি বেগম বলেন, ঘটনারদিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে বরকত আমাকে ফোন দিয়েছে। সে তখন বলেছে রিজার্ভ গাড়ি থেকে লক্ষ্মীপুরের পুলিশ পরিচয়ে তাকে নামিয়ে নেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

বরকতের বড়ভাই সালাহ উদ্দিন বলেন, তিনদিন ধরে আমার ভাইকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না। চন্দ্রগঞ্জ থানায় জিডি করতে গেলেও পুলিশ নেয়নি। আমাদেরকে থানা থেকে বের করে দিয়েছে। আমার ভাই অপরাধী হয়ে থাকলে আইনের মাধ্যমে তার সাজা হোক। তাকে যেন গুম করে ক্রসফায়ার বা বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা সাজিয়ে মেরে ফেলা না হয়। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে বিস্তারিত জানা নেই।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে ফজলুল হক বলেন, ফেনী থেকে বরকত নিখোঁজ হয়। তার পরিবারকে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এজন্য আমরা জিডি নিইনি। বরকত হত্যা, অস্ত্র ও নারী নির্যাতনসহ কয়েকটি মামলার আসামি। তাকে আমরাও খুঁজছি। কিন্তু তাকে পাচ্ছি না।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ