,


শিরোনাম:
«» তুরাগে গৃহবধু হত্যার অভিযোগে স্বামীর বন্ধু গ্রেফতার «» ভাড়া বাসায় অবস্থান করে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতী করতো তারা’ «» ঈশ্বরদীতে ২০০ লিটার মদসহ গ্রেফতার ১ «» ঈশ্বরদীতে নবজাতক হত্যার অভিযোগ সাবেক স্বাস্থ্যকর্মীর আকলিমার বিরুদ্ধে «» সাংবাদিকতার দায় একমাত্র জনসাধারণের কাছে:তিতুমীর «» ঈশ্বরদীতে প্রণোদনার সার-বীজ প্রদানে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রকৃত কৃষকদের «» ঈশ্বরদীতে বালু খেকোদের কবলে বিলিন হাজার হেক্টর ফসলি জমি, দিশেহারা কৃষক «» ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পালিত র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত «» চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাবেক এমপি ও জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদকের বাসভবনে হামলা «» চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষকলীগের অনুষ্ঠানে সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা মিনহাজ আহত

বিদেশী পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি জব্দ রাজধানীর তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ২৮ মামলার পলাতক আসামি লেদু হাসান র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার।

অনলাইন ডেক্সঃ জধানীর দারুস সালাম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আদাবর এবং মোহাম্মদপুর এলাকার তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ২৮ মামলার পলাতক আসামি মোঃ মনোয়ার হাসান জীবন ওরফে লেদু হাসান (৪২)কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৪)।

লেদু হাসান লক্ষীপুর জেলার মৃত হারিছ চৌধুরীর পুএ।

শুক্রবার দিবাগত রাতে মিরপুরের দারুস সালাম থানা এলাকায় গোপনে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

আজ এলিট ফোর্স র‍্যাব-৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া অফিসার) মোঃ জিয়াউর রহমান চৌধুরী দ্য ডেইলি সাউথ এশিয়ান টাইমসকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৪ এর একটি দল শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮ টার দিকে রাজধানীর দারুস সালাম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আদাবর এবং মোহাম্মদপুর এলাকার
তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ২৮ টি মামলার পলাতক আসামী মোঃ মনোয়ার হাসান জীবন ওরফে লেদু হাসান (৪২) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। লক্ষীপুর জেলায় তার গ্রামের বাড়ি।

এসময় তার নিকট থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, এক রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ১৯৭৮ সালে ১১ জুন ধৃত ব্যক্তি মোঃ মনোয়ার হাসান জীবন ওরফে লেদু হাসান লক্ষীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করে। তার বাবা মৃত হারিছ চৌধুরী একজন কৃষক ছিলেন। ধৃত ব্যক্তি ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করে। পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে সে লক্ষীপুর ত্যাগ করে তার বাবার সাথে ঢাকায় চলে আসে। পরবর্তীতে সে ২০১০ সালে বহুল আলোচিত ওহিউদুজ্জামান হত্যা মামলায় এজাহার নামীয় আসামী হিসেবে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে ওই মামলায় সে ২০১২ সাল পর্যন্ত হাজত বাস করে। পরবর্তীতে জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর সে আরো বেপরোয়া জীবন যাপন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজীসহ নানা ধরনের অপকর্মের সাথে যুক্ত হয়। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর, আদাবর থানাসহ বিভিন্ন থানাতে খুন, বিস্ফোরক সহ উল্লিখিত সংখ্যক মামলা রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে র‍্যাব-৪ এর সহকারী পরিচালক আরো জানান, সে অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চাদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপসহ মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলো। সাধারণ মানুষের সম্পত্তি দখল, জমি দখল, চাঁদাবাজি, চাঁদার জন্য হুমকি দেওয়া, মাদক ব্যবসা, জুয়ার কারবার প্রভৃতি অপরাধের সাথে সে জড়িত। এলাকায় নতুন কোন ভবনের কাজ শুরু হলে তাকে নির্দিষ্ট পরিমান চাঁদা দিতে হতো। অন্যথায় সে তার নিজস্ব ক্যাডার বাহিনীর মাধ্যমে কাজ বন্ধ করে দিতো। আসামী মূলত অস্ত্রধারী হওয়ায় এবং প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ জনগণ তার বিরুদ্ধে কোনো কথা বলতে সাহস করতো না এবং কেউ তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করলে অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখাতো ও মারপিট করে গুরুতর জখম করতো। তার অত্যাচারে উক্ত এলাকার সাধারণ মানুষ সর্বদা অতিষ্ঠ ও ভীতসন্ত্রস্থ।

র‍্যাব-৪ এর এএসপি মোঃ জিয়াউর রহমান চৌধুরী দ্য ডেইলি সাউথ এশিয়ান টাইমসকে জানান, ধৃত মনোয়ার হোসেন জীবন ওরফে লেদু হাসান আদাবর এবং মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী। লেদু হাসান ২০১৭ সালে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জের ধরে এস আর পলাশকে হত্যা করে। আদাবর থানায় তার বিরুদ্ধে আরও একটি হত্যা মামলা চলমান রয়েছে। একটি অস্ত্র মামলায় তার ১০ বছরের সাজা হয়েছে। সে মোহাম্মদপুর বেড়িবাধ এলাকায় একটি গাড়িতে আগুন দিয়ে দু’জন মহিলাকে পুড়িয়ে হত্যা করেছিল সে মামলাটি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।

এবিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানান
র‍্যাবের এ কর্মকর্তা।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ