,


শিরোনাম:
«» রাজধানীর তুরাগে ডোবা থেকে অজ্ঞাত তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার «» উত্তরায় মা দিবস উপলক্ষে ৩০জন রত্নগর্ভা ‘মা’কে সম্মাননা «» উত্তরায় শিনশিন জাপান হাসপাতালে রোগীকে আটক রেখে নয় লাখ টাকা বিল। «» আবদুল আউয়াল ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ «» তুরাগ বাসীসহ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কৃষকলীগের সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন «» চাঁপাইনবাবগঞ্জে সার ডিলারদের অনিয়মে জিম্মি কৃষক ও চাষিরা «» ঢাকা-আশুলিয়া মহাসড়কে গাড়ির চাপায় সাবেক পুলিশ সদস্য নিহত «» চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান এমপি হাবিব হাসান। «» মশার অসহ্যকর যন্ত্রণায় তিক্ত তুরাগবাসী, দায়িত্বশীলরা বলছেন অসহায়ত্বের কথা «» তুরাগে মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করাকে কেন্দ্র করে পুলিশের উপর বস্তিবাসীর হামলা। 

পালিয়ে বিয়ে;বছর না যেতেই আত্মহত্যা

স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজধানীর তুরাগ থানাধীন আশুটিয়া এলাকায় জেলে মন্দির সংলগ্ন আব্দুর রশিদের বাড়িতে আত্মহত্যা করেন ৬/৭ মাস আগে পালিয়ে এসে বিয়ে করা কিশোরী ছামেদি ইয়াসমিন নদী(১৯)।

গত ৬/৭ মাস আগে রিপন খন্দকারের মেয়ে প্রেমের সম্পর্ক করে গ্রামের বাড়ি সারংদিয়া, শ্রীপুর, মাগুরা থেকে পালিয়ে আসে বাবু শেখের ছেলে প্রেমিক সবুজ শেখের(২২) সাথে। পালিয়ে আসার পর প্রথম কয়েকদিন ভালোভাবেই সংসার জীবন অতিক্রম করেন এই নব দম্পতি।কিছুদিন পেরোনের পরই শুরু হয়ে যায় ঝগড়া-বিবাদ। এরই মধ্যে গতকাল ২রা অক্টোবর রোজ শনিবার সন্ধ্যায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয় দুজনের মধ্যে।ঝগড়ার এক পর্যায়ে ঘর থেকে বেরিয়ে চলে যায় ছামেদি ইয়াসমিন নদী।এরই জের ধরে রাতে ৬/৭ টি ঘুমের ট্যাবলেট (বারবিট-৬০) খেয়ে বসেন প্রেমিক সবুজ শেখ।অতঃপর স্ত্রী নদীকে কল করে নিজের খারাপ অবস্থা জানিয়ে ফিরে আসার জন্য অনুরোধ করেন স্বামী সবুজ শেখ।প্রথমে আসবেনা বলে ফোন কেটে দেয়, তার কিছুক্ষন পরেই আবার অন্য এক নাম্বার থেকে নদী ফোন করে জানান আমি বেরিবাধ আছি আমাকে নিয়ে যাও।স্বামী তখনি অসুস্থ অবস্থায় গিয়ে স্ত্রী নদীকে নিয়ে বাসায় ফিরেন।বাসায় ফিরার পর অতিরিক্ত ঘুমের ট্যাবলেট সেবন করার ফলে অচেতন হয়ে পড়েন স্বামী সবুজ শেখ।পরদিন সকালে(আজ) পাওনাদার বন্ধুর কলে ঘুম ভাঙ্গলে সবুজ তার স্ত্রী নদীকে ৫০০ টাকা দিয়ে বলেন বিকাশে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য।স্ত্রী উত্তরে বলেন তবে আজকের বাজার করবো কি দিয়ে? স্বামীর কাছে থাকা ১৫০ টাকা স্ত্রী নদীর হাতে দিয়ে বলেন ৫০০ টাকা পাঠিয়ে বাকি টাকার বাজার নিয়ে আসার জন্য।অতঃপর রাতের ঘটনার জের ধরে স্ত্রী রাগ হয়ে বাজারে চলে যায়।বাজার থেকে এসে ঘুমন্ত স্বামীকে একাধিকবার ডাক দিয়ে কোন সাড়া না পেয়ে জিদ করে সিলিং এর কাঠের সাথে ওড়না বেঁধে গলায় পেচিয়ে ঝুলে পড়েন স্ত্রী নদী।এক পর্যায়ে মৃত্যুর যন্ত্রনায় ছটপট করা অবস্থায় স্বামীর ঘুম ভাঙ্গে।স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে স্বামী অতি দ্রুত স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে নেয়।ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে স্ত্রী ছামেদি ইয়াসমিন নদী তার স্বামীর কোলেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে।অবশেষে ঘটনাস্থলে থাকা বাড়ির মালিক মোঃআব্দুর রশিদ ঘটনাটি পুলিশকে অবগত করেন। তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদি সহ এস,আই তুহিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে লাশের সুরতহাল করে। এ বিষয়ে এস,আই তুহিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, মান-অভিমানের কারনেই ঘটনাটি ঘটেছে।তিনি আরও জানান স্বামী অতিরিক্ত ঘুমের ট্যাবলেট সেবনের কারণে অবস্থার অবনতি হয়।স্ত্রী এসে স্বামীর এই অবস্থা দেখে একাধিকবার ডেকেও কোন সাড়া না পেয়ে স্ত্রী ভাবেন স্বামী হয়ত আর বেচে নেই তাই আমার আর বেচে থাকার কি প্রয়োজন এই ভেবেই আবেগের বসে হয়তোবা স্ত্রী আত্মহত্যা করে ।সর্বশেষ তিনি জানান এই ঘটনায় তুরাগ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলমান এবং ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশ পাঠানো হয়েছে।

 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ