,


শিরোনাম:
«» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ। «» শিবগঞ্জে অস্ত্র ও ককটেল সহ ১৩ মামলার আসামি গ্রেপ্তারে র‍্যাব «» চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স সম্পন্ন «» ফরিদগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ,অভিযুক্ত যুবক আটক

কক্সবাজার জেলায় অবৈধ বসবাসকারীরা নাগরিক সুবিধা পাবে নাঃজেলা প্রশাসক

নুরুল আলম,কক্সবাজারঃ কক্সবাজার জেলা পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধভাবে বসবাসরতদের উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। রোববার (১ আগষ্ট) বিকাল থেকে আজ দুইদিন ব্যাপি উৎসব এ অভিযান শুরু করেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মামুনুর রশীদের নেতৃত্বে দল নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। প্রথম দিনে প্রায় ১ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে এনেছেন দ্বিথীয় দিনে সকালে ১১ টা দিকে এই অভিযানে চালিয়ে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন। এ সময় জেলা প্রশাসক প্রায় বলেন, জীবন ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ে বসবাসকারীদের সকল ধরণের নাগরীকতা সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে। ইতোমধ্যে পাহাড়ের বসতি থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবন ঝুঁকি নিয়ে যারা পাহাড়ে বসবাস করছেন তাদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই অভিযান শুরু হবে। এ সময় পাহাড়ের পাদদেশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাসকারীদের জীবন রক্ষায় সাইক্লোন শেল্টার অথবা আত্মীয়-স্বজনের বাসা বাড়ীতে চলে যাওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেন জেলা প্রশাসক। অন্যথায় প্রশাসনের দল বাহিনী গিয়ে ঘরগুলো সিলতালা করে দেবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন এবং কক্সবাজার জেলা শাখা টেকনাফে ও অবৈধভাবে পাহাড়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাব বলে প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে) কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিন আল পারভেজ বলেন, খানিকটা বিরতি দিয়ে গতরাত থেকে আবারও বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী বৃষ্টিপাত আরও কয়েক দিন চলতে পারে৷ এই মুহুর্তে কক্সবাজার শহরসহ জেলার বিভিন্ন থানার পাহাড়ের পাদদেশে থাকা মানুষের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়ে মাইকিং করা হচ্ছে। যাদের অন্য কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই তারা নিকটস্থ আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, এসব দলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারী কর্মচারি, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করছেন। এ সময় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ . হাসানুজ্জামান, স্থানীয় কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন কবিরসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, কক্সবাজারে টেকনাফ সহ পাহাড়ের ঝুঁকিতে বসবাস করছে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ। এসব মানুষের দখলে রয়েছে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর পাহাড়। সাধারণ মানুষকে ঢাল বানিয়ে মূলত এসব পাহাড় দখলে রেখেছে ক্ষমতাসীন প্রভাবশালীরা। কক্সবাজার অঞ্চলে পাহাড় কাটার যেনো ধুম লেগেছে। এ অঞ্চলে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সন্ত্রাসী তথা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেক সদস্য পাহাড় দখল করে বসতি গড়ছে। শুধু তাই নয়, তারা বিক্রি করছে সরকারী পাহাড়ের দখলস্বত্বও। বর্ষা এলেই পাহাড়কাটা শুরু হয় সমতল ভূমি করার চেষ্টায়। এতে ঘটে পাহাড় ধসের ঘটনা। কক্সবাজারের বহুল আলোচিত ৫১ একর পাহাড় কেটে প্লট তৈরি করেছে খোদ প্রশাসনের লোকজন। এর মাঝে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন কেরন তলী ও বড়ই তলী পাহাড়ি জমি বিক্রি করছে বনকর্মকর্তা ও এখনও বর্তমান পাঁচ জন কে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে এবং অবৈধভাবে পাহাড়ে বসবাস করে পরিবার সংখ্যা এই ব্যাপারে টেকনাফ স্হল বন্দরের এমএইচ ট্রেডিং কোম্পানির প্রতিনিধি মোহাম্মদ নেজাম থেকে ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি প্রায় বলেন কেরন তলী আমি অনেক দিন যাবদ ও টেকনাফ পৌর ৯নং ওয়ার্ড দক্ষিণ জালিয়া পাড়ার থেকে আসিয়া বসবাস করছি এই সদরে ৯নং ওয়ার্ডে এই এলাকায় অবৈধ কারবারী সহ ও বসত ভিটা জমি দখল করে আছে ও সরকারী পাহাড় দখল করে বিক্রি করছে বনকর্মকর্তা এবং এখন ও চার পাঁচ জন কে বিক্রি করে দখল করে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন নেজাম এবং রেকর্ড আছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পরিসংখ্যান মতে, বিগত এক যুগে পাহাড় ধসে ৩ শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পাহাড় ধ্বসে হয় ২০১০ সালের ১৫ জুন। এদিন রামু উপজেলার হিমছড়ি এলাকার ১৭ ইসিবি সেনা ক্যাম্পের ৬ সেনাসদস্যসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধ্বসে প্রায় ৬২ জন প্রাণ হারায়। ২০০৮ সালের ৪ ও ৬ জুলাই টেকনাফে ফকিরামুরা ও টুন্যার পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের চারজনসহ ১৩ জন, ২০১২ সালে ২৬ ও ২৭ জুন পাহাড় ধসের ঘটনায় ২৯ জন, ২০০৯ সালে চকরিয়া, উখিয়া ও রামুতে ৫ জন, ২০১১-১৩ সালে পাহাড় ধ্বসে পড়ে মারা যায় ১৯ জন, ২০১৫ সালে কক্সবাজার শহরের রাডারের পাহাড় ধ্বসে মা-মেয়েসহ ৫ জন, ২০১৬ সালে পাহাড় ধসে মারা যায় ১৭ জন, ২০১৭ সালে ২৬ জন, ২০১৮ সালের ২৫ জুলাই শহরের দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়ার বাঁচামিয়ার ঘোনা এলাকায় প্রবাসী জামাল হোসেনের এক পরিবারের ৫ জনসহ ২৮ জন, ২০১৯ সালে ২২ জন, ২০২০ সালে ১৫ জন এবং সর্বশেষ গত ২ দিনে মারা গেল ১৪ জন।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ