,


শিরোনাম:
«» ঈশ্বরদীতে মাইক্রোবাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত «» টেকনাফে শালবাগান বেপরোয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহৃত যুবক উদ্ধার,আসামিরা আটক «» পাকশী রেলওয়ে হাসপাতাল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ রেলওয়ের জিআইবিআর «» ঈশ্বরদী মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের উদ্বোধনঃমুক্তিযোদ্ধাদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে পাঁচটি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান «» ১১ জনের বিরুদ্ধে হুইপের হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত «» টেকনাফ সীমান্তে মাদকের ঝড় পুলিশের অভিযানে আলামতসহ আটক ১ «» ট্রেনের ইঞ্জিনে হঠাৎ আগুন ঈশ্বরদীগামী ‘কমিউটার এক্সপ্রেস’ «» টেকনাফে ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ঃগাড়ীর মালিক পলাতক «» ইয়াবা বিক্রি করছেন বিভিন্ন বেশে!!! «» ১০৭ কেজি ওজনের দুটি গোলপাতা মাছ দেখতে মানুষের ভিড়

ফরিদগঞ্জে’র কামার শিল্পীরা হতাশায় !

কামরুজ্জামান,ফরিদগঞ্জ চাঁদপুর: আগামী ২১ জুলাই ঈদুল আয্ধসঢ়;হা পালিত হবার কথা। সব কিছু ঠিক থাকলে ঈদের আর মাত্র তিন দিন বাকী। কিন্তু মহামারী বা বর্তমান পরিস্থিতির কারনে নেই গরুরবাজারে মানুষের ভীড়, নেই কেনা কাটার ব্যস্ততা। মুদিবা মশল্লার দোকানেও নেই তেমন ভীড়। কিছুটা ব্যস্ততা রয়েছে কামারের দোকানে। চলছে হাঁপর টানা, পুড়ছে কয়লা, পুড়ছে লোহা। পোড়ানো লোহায় হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে তৈরি করছে দা, বঁটি, ছুরি,চাপাতিসহ ধারালো সব যন্ত্রপাতি। করোনা পরিস্থিতির কারনে বর্তমানে কোরবানীর হাটে বা বাজারে আগের মত ভীড় লক্ষ করা না গেলেও বিক্রি হবে এ আশায় বুক বেঁধে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার শিল্পীরা। হাতুড়ি আর লোহার টুংটাং শব্দে এখন মুখরিত কামার বাড়ী ও সাপ্তাহীক বাজারের কামারের দোকানগুলিতে। । ফরিদগঞ্জ উপজেলার ভাটিয়ালপুর কামারপাড়া, চরমান্দারী, গুপ্টি কামারপাড়া ও ফরিদগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে কামারদের অস্থায়ীদোকান গুলো ঘুরে দেখা গেছে, ঈদ উপলক্ষ্যে গরু কাটা কুটায় ব্যবহৃত লোহার বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কামাররা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করছেন সবাই। কামারশিল্পী কৃষ্ণ কর্মকারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বছরই কোরবানির ঈদে দা, বঁটি, ছুরি, হাঁসুয়া, চাপাতিসহ লোহার বিভিন্ন জিনিসের চাহিদানুপাতে বেশ ভালোই বিক্রি হতো। বছরের এই একটি মাত্র সময়ের অপেক্ষায় থাকি। কোরবানির ঈদকেঘিরে ভালো আয়-উপার্জন হতো। এবার বাজারের অবস্থা তেমন ভালো না। ক্রেতার তেমন ভীড় নেই। করোনা পরিস্থিতির কারণে বেচাকেনা নেই বললেই চলে। বেচাকেনা কেমন হচ্ছে জানতে চাইলে কামারশিল্পী দুলাল চন্দ্র কর্মকার বলেন, খরিদ্দার নেই, বেচবো কার কাছে? আর ২/৩ দিন পর ঈদ। আগের বছরগুলিতে কমপক্ষে ১৫দিন আগে থেকেই জমে ওঠতো দা-বঁটির বাজার। কামারশিল্পী বাবুল কর্মর্কার বলেন, এই ঈদ মৌসুমটাই আমাদের মূল টার্গেট থাকে। বছরের কয়েকটা দিন ভালো টাকা, ঈদকে কেন্দ্র করেই চলতো কামারদের কর্মকান্ড। করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে গত ঈদেও মোটামুটি ছিল। উপার্জন যা হয়েছিল কারিগরদের বেতন ভাতাদী দিয়ে কোন রকমে চলছিলো। ভেবেছিলাম কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে দা, বঁটিসহ বিভিন্ন মালামালের বেশি অর্ডার আসবে। কিন্তু পরিস্থিতি এখন একেবারেই ভিন্ন। প্রায় সকল কামার কামারশিল্পীদের একই রকম হতাশার গল্প। হতাশায় ভূগছে পুরো কামার শিল্পি ও পরিবারের সদস্যরা।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ