,


শিরোনাম:
«» রাজধানীর তুরাগে ডোবা থেকে অজ্ঞাত তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার «» উত্তরায় মা দিবস উপলক্ষে ৩০জন রত্নগর্ভা ‘মা’কে সম্মাননা «» উত্তরায় শিনশিন জাপান হাসপাতালে রোগীকে আটক রেখে নয় লাখ টাকা বিল। «» আবদুল আউয়াল ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ «» তুরাগ বাসীসহ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কৃষকলীগের সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন «» চাঁপাইনবাবগঞ্জে সার ডিলারদের অনিয়মে জিম্মি কৃষক ও চাষিরা «» ঢাকা-আশুলিয়া মহাসড়কে গাড়ির চাপায় সাবেক পুলিশ সদস্য নিহত «» চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান এমপি হাবিব হাসান। «» মশার অসহ্যকর যন্ত্রণায় তিক্ত তুরাগবাসী, দায়িত্বশীলরা বলছেন অসহায়ত্বের কথা «» তুরাগে মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করাকে কেন্দ্র করে পুলিশের উপর বস্তিবাসীর হামলা। 

বন্দুকযুদ্ধে নিহত রোহিঙ্গা ডাকাত হাশেম উল্লাহঃ অধরা অনেকেই

 নুরুল আলম,টেকনাফঃ প্রতিনিধি টেকনাফের হ্নীলায় ইউনিয়ের রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের মোল হুদা এবং একই পরিবারের ৩ ভাইকে গুলিবর্ষণ করে রক্তাক্ত করার মামলার প্রধান আসামী হাশেম উল্লাহ ডাকাত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। এসময় দুইজন র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছে। সুত্র জানায়, ১৬ জুলাই (শুক্রবার) ২টা দিক টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন জাদিমোরা ২৭নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ের পাদদেশে ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলির খবর পেয়ে র‌্যাব-১৫ এর একটি চৌকষ দল ঘটনাস্থলে গেলে ডাকাতদল র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এসময় র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হলে আত্মরক্ষার্থে তারা পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। গোলাগুলির কিছুক্ষণ পর নিরুপায় হয়ে ডাকাতদল পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ২৭নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-ব্লকের বশির আহমদের পুত্র শীর্ষ ডাকাত হাশেম উল্লাহ (৩৩) কে ১টি দেশীয় তৈরী লম্বা বন্দুক, ১টি বিদেশী পিস্তল, ১টি ম্যাগজিন ও ৬ রাউন্ড বুলেটসহ উদ্ধার করে।  এরপর আহত র‌্যাব সদস্য ও গুলিবিদ্ধ ডাকাতকে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। আহত র‌্যাব সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর গুলিবিদ্ধ ডাকাতকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যুর ঘোষণা করেন। কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ (সিপিসি-১) টেকনাফ ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার এএসপি বিমান কুমার চন্দ্র কর্মকার এই সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেন। এদিকে স্থানীয়রা জানায়, হাশেম উল্লাহর নেতৃত্বে দমদমিয়া ও জাদিমোরা ক্যাম্প ও আশেপাশের এলাকায় ডাকাতদের সুংগঠিত করে সাম্প্রতিক সময়ে অপহরণ, মুক্তি বাণিজ্য মেলা , ডাকাতিসহ ইয়াবা লুটপাট চালিয়ে আসছে।  গত ৩০জুন ভোররাত আড়াইটার দিকে উত্তর দমদমিয়ায় হাবিবুর রহমানের বাড়ীতে গিয়ে তার পুত্র রহমত উল্লাহ, ছালামত উল্লাহ, মোহাম্মদ হাসানকে গুলিবর্ষণ করে প্রাণনাশের চেষ্টা চালায়। গুলিবিদ্ধরা এখনো চিকিৎসাধীন আছে। উক্ত মামলায় নিহত হাশেম উল্লাহ ডাকাত প্রধান আসামী। অনুপ্রবেশ রোহিঙ্গা ডাকাত হাশেম উল্লাহ বন্দুকযুদ্ধে নিহতের খবরে সাধারণ রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার জন্য দেশের জনগণের দাবি জানাই

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ