,


শিরোনাম:
«» প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ডে ২৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন-জনসভায় জনসমুদ্রে পরিণত ছিল «» চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় ধর্মঘট উপেক্ষা করে মাদ্রাসা মাঠে মানুষের ঢল «» ঠাকুরগাঁওয়ে পাক হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‍্যালি শোভা যাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত «» ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩ দোকান মালিকরা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর অনুদান «» যৌতুক না পেয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, গৃহবধূকে মারধর «» তুরাগে ১৫০টি দোকানের বিদ্যুৎ বিল মাসে ৭০০ টাকা দেখিয়ে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎকারী নামধারী নেতা গ্রেফতার। «» তুরাগে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম শুরু «» তুরাগে ২ বছরের শিশু ধর্ষণ : ধর্ষক মামুন আটক। «» ইদ-ই-মিলাদুন্নবি উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে স্বপ্নালোড়ন বাংলাদেশ «» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা।

বন্দুকযুদ্ধে নিহত রোহিঙ্গা ডাকাত হাশেম উল্লাহঃ অধরা অনেকেই

 নুরুল আলম,টেকনাফঃ প্রতিনিধি টেকনাফের হ্নীলায় ইউনিয়ের রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের মোল হুদা এবং একই পরিবারের ৩ ভাইকে গুলিবর্ষণ করে রক্তাক্ত করার মামলার প্রধান আসামী হাশেম উল্লাহ ডাকাত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। এসময় দুইজন র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছে। সুত্র জানায়, ১৬ জুলাই (শুক্রবার) ২টা দিক টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন জাদিমোরা ২৭নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ের পাদদেশে ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলির খবর পেয়ে র‌্যাব-১৫ এর একটি চৌকষ দল ঘটনাস্থলে গেলে ডাকাতদল র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এসময় র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হলে আত্মরক্ষার্থে তারা পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। গোলাগুলির কিছুক্ষণ পর নিরুপায় হয়ে ডাকাতদল পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ২৭নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-ব্লকের বশির আহমদের পুত্র শীর্ষ ডাকাত হাশেম উল্লাহ (৩৩) কে ১টি দেশীয় তৈরী লম্বা বন্দুক, ১টি বিদেশী পিস্তল, ১টি ম্যাগজিন ও ৬ রাউন্ড বুলেটসহ উদ্ধার করে।  এরপর আহত র‌্যাব সদস্য ও গুলিবিদ্ধ ডাকাতকে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। আহত র‌্যাব সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর গুলিবিদ্ধ ডাকাতকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যুর ঘোষণা করেন। কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ (সিপিসি-১) টেকনাফ ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার এএসপি বিমান কুমার চন্দ্র কর্মকার এই সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেন। এদিকে স্থানীয়রা জানায়, হাশেম উল্লাহর নেতৃত্বে দমদমিয়া ও জাদিমোরা ক্যাম্প ও আশেপাশের এলাকায় ডাকাতদের সুংগঠিত করে সাম্প্রতিক সময়ে অপহরণ, মুক্তি বাণিজ্য মেলা , ডাকাতিসহ ইয়াবা লুটপাট চালিয়ে আসছে।  গত ৩০জুন ভোররাত আড়াইটার দিকে উত্তর দমদমিয়ায় হাবিবুর রহমানের বাড়ীতে গিয়ে তার পুত্র রহমত উল্লাহ, ছালামত উল্লাহ, মোহাম্মদ হাসানকে গুলিবর্ষণ করে প্রাণনাশের চেষ্টা চালায়। গুলিবিদ্ধরা এখনো চিকিৎসাধীন আছে। উক্ত মামলায় নিহত হাশেম উল্লাহ ডাকাত প্রধান আসামী। অনুপ্রবেশ রোহিঙ্গা ডাকাত হাশেম উল্লাহ বন্দুকযুদ্ধে নিহতের খবরে সাধারণ রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার জন্য দেশের জনগণের দাবি জানাই

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ