,


শিরোনাম:
«» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা। «» জিএম কাদেরের ফোন ছিনতাই করে ২৩ হাজার টাকা বিক্রি, বসুন্ধরা মার্কেট থেকে ৮ দিন পর খোলা ফোন উদ্ধার। «» শেরে-বাংলা নগরে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই চলছে সরকারি দপ্তরের গাড়ির তেল চুরি «» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ।

হ্নীলায় হত্যা চেষ্টার ঘটনায় জনতার সহায়তায় আটক-২

নুরুল আলম,টেকনাফঃ কক্সবাজার টেকনাফ হ্নীলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত দেবরসহ দুইজনকে জনতার সহায়তায় আটক পুলিশে সোর্পদ করা হয়েছে। স্থানীয় সুত্র জানায়,৩জুলাই (শনিবার) ভোরের দিকে হ্নীলা ইউনিয়ন দক্ষিণ লেদা শিয়াইল্যাঘোনার জনসাধারণ মিলে স্থানীয় মালয়েশিয়া প্রবাসী দিল মোহাম্মদের স্ত্রী এবং ৩জন কন্যার জননী ফাতেমা বেগম প্রকাশ শুননী (৩৬) কে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত দেবর মৃত বশির আহমদের পুত্র হোসেন আহমদকে বসত-বাড়ীর পরিত্যক্ত ল্যাট্টিনের ভেতর থেকে এবং কে মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র আবুল হোছন (৩৮) কে নয়াপাড়া বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকা হতে আটক করে স্থানীয় সংরক্ষিত মহিলা মেম্বাররের বাড়ীতে বেঁধে রাখে। পরে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশকে খবর দিলে ও পরে। এসআই রাফি সর্ঙ্গীয় দল নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে আটককৃতদের থানায় নিয়ে যায়। উল্লেখ্য,গত ১লা জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল ৬টারদিকে হ্নীলা দক্ষিণ লেদা শিয়াইল্যাঘোনার মালয়েশিয়া প্রবাসী দিল মোহাম্মদের স্ত্রী এবং ৩জন কন্যার জননী ফাতেমা বেগম প্রকাশ শুননী (৩৬) প্রস্রাব-পায়খানা সেরে বাড়ীর সামনে এলে তার দেবর হোসেন আহমদ কোন কথা ছাড়াই এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে। তার শোর-চিৎকারে প্রতিবেশী এবং আত্মীয় স্বজনরা এসে রক্তাক্ত ও মূমুর্ষাবস্থায় প্রবাসীর স্ত্রীকে উদ্ধার করে নয়াপাড়া টিডিএস হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আশংকাজনক হওয়ায় অবশেষে সেখান থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখান হতে এখনো জেনারেল হাসপাতালে মূমুর্ষাবস্থায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। আহতের পিতা গুরা মিয়া জানান, আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এই ব্যাপারে গত ২রা জুলাই ভোরে ধৃত ২জনসহ ৬/৭ জনকে আসামী করে আহতের পিতা গুরা মিয়া বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে জনতার সহায়তা পুলিশ এই দুইজনকে আটক করে নিয়য়ে যায় এবং সুস্থ ভাবে বিচারের দাবী জানিয়েছেন।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ