,


শিরোনাম:
«» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা। «» জিএম কাদেরের ফোন ছিনতাই করে ২৩ হাজার টাকা বিক্রি, বসুন্ধরা মার্কেট থেকে ৮ দিন পর খোলা ফোন উদ্ধার। «» শেরে-বাংলা নগরে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই চলছে সরকারি দপ্তরের গাড়ির তেল চুরি «» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ।

উখিয়া টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবার সঙ্গে ঢুকছে আইস

 ডেস্কঃ  কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবার সঙ্গে ঢুকছে ভয়ঙ্কর মাদক আইসের বড় ধরনের চালান। অনুপ্রবেশ কারী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাদক সিন্ডিকেট মিয়ানমার থেকে এসব চালান দেশে নিয়ে আসছে। এ ছাড়া উখিয়া ও টেকনাফে নতুন মাদক কারবারীদেরও উত্থান ঘটেছে। সীমান্তে দায়িত্বরত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা বেশ কিছু মাদক জব্দ করতে সক্ষম হলেও আড়ালে বড় চালানগুলো খালাস হচ্ছে এমন ধারণা স্থানীয়দের। টেকনাফ ও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে জানা যায়, মাদক কারবারীরা একসময় শুধু ইয়াবার বড় বড় চালান দেশে এনেছে। সম্প্রতি ইয়াবার পাশাপাশি আরেক ভয়ঙ্কর মাদক ক্রিস্টাল মেথ বা আইসের চালানও দেশে অনুপ্রবেশ করছে প্রথম দিকে আইস অপরিচিত হওয়ায় কারবারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের চোখে বালি দিয়ে দেশের কয়েকটি চালান পাচার করেছে। গত দেড় বছরে ঢাকায় রাজধানী আইসের অন্তত চারটি চালান জব্দ করা হয়। তদন্তে কেত্রে জানা যায়, এই মাদকের প্রধান রুট টেকনাফ। গত ৩ মার্চ টেকনাফে দুই কেজি আইসসহ মোহাম্মদ . আবদুল্লাহ নামে একজনকে গ্রেপ্তারও করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) টেকনাফ বিশেষ জোনের সদস্যরা। উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত আইসের আনুমানিক মূল্য ছিল ৩ কোটি টাকা। পরে ১৩ এপ্রিল টেকনাফ শীলখালী চেকপোস্টে তল্লাশি করে বিজিবি সদস্যরা ১৬৭ গ্রাম আইসসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেন। ডিএনসি সদস্যরা জানান, সম্প্রতি টেকনাফ র‌্যাব-১৫ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া ক্যাম্পে অভিযান পরিচালনা করে এক কেজি আইসসহ মোহাম্মদ হামিদ নামে এক রোহিঙ্গাকে আটক করে। তদন্তে মাধ্যমে জানা যায়, আইসের চালানটি থাইল্যান্ড থেকে মিয়ানমার হয়ে সমুদ্রপথে বাংলাদেশে ঢুকেছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দাম বেশি হওয়ায় বাংলাদেশে আইসের বড় বাজার নেই। তাই কারবারীদের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে আইসের চালান ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ায় পাচার করা। ডিএনসি টেকনাফ বিশেষ জোনের দায়িত্বরত সহকারী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, মাদকসেবীরা ইয়াবার পরে যেটি গ্রহণ করছে তার নাম ক্রিস্টাল মেথ বা আইস। এটি ইয়াবার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর ও জীবন চলার পথে অনেক ঝুঁকি আমরা টেকনাফ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে মার্চে আইসের সবচেয়ে বড় চালান জব্দ করেছিলাম। ইয়াবা, আইসসহ যে কোনো ধরনের মাদকের বিরুদ্ধে আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি সজাগ দৃষ্টি সীমান্তের সাধারণ মানুষ জানান, ইয়াবা কারবার এখন অনেকটা অপ্রতিরোধ্য। টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারির কারণে ইয়াবা পাচার কিছুটা কঠিন। সে কারণে কারবাররা শাহপরীর দ্বীপ ঘোলারচর, দক্ষিণ পাড়া সৈকত পয়েন্ট, মাঝের পাড়া, আলোচিত সাবরাং ইউনিয়নের হারিয়াখালী, কচুবনিয়া, মুন্ডারডেইল, খুরের মুখ, সদর ইউনিয়নের মহেশখালিয়া পাড়া, বাহারছড়ার নোয়াখালী, শীলখালী, শামলাপুর, উখিয়ার ইমামের ডেইল, ইনানী ও হিমছড়ি সৈকত পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবা ও আইসের চালান খালাস করছে। মাছ ধরার ট্রলারে জেলের ছদ্মবেশে মাদক পাচারকারীরা সাগরে গিয়ে মিয়ানমার কারবারীদের কাছ থেকে এই চালান গ্রহণ করে এবং নিয়ে আসছে এবং অনেক মাছের ট্রলার ইয়াবা ফুলের গন্ধ সহ আটক হয়েছে আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে প্রমান আছে এ ছাড়া উখিয়া সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে পাচারকারীরা সরাসরি মাদকের চালান দেশে এনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মজুদ করছে। পরে সুযোগমতো মাদকগুলো দেশের বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছে। সাবরাং এলাকার বাসিন্দা আবদুল গফুর বলেন, ইয়াবা কারবারিরা এখন জেলে, পরিবহন শ্রমিক, রোহিঙ্গাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়া স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ইয়াবা কারবারে অর্থ লগ্নি করছে এবং কিছু অসাধু মাদক কারবারী ইদানীং বিশেষ নতুন কুশল বিনিময় টেকনাফ স্হল বন্দরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সুনাম অর্জন করতে ও আইন শৃংখলা বাহিনী থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পেঁয়াজ আইন ছি গোলা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ও অভিনয় করেছেন তিনি আরও নুতন মাদক কারবারী মাছ বিক্রি আড়ালে অবৈধতা বিরাজ করছে এবং কঠিন পদক্ষেপ না নিলে অচিরেই টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্ত জনপদ মাদকের রাজ্যে পরিণত হবে। মরবে আগামী দিনের প্রজন্ম এদিকে আত্মসমর্পণকারী স্বীকৃত ইয়াবা কারবারিদের অনেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। গত ২৩ মে হ্নীলা ইউনিয়নের মেম্বার মোহাম্মদ . জামালের ছেলে শাহ আজমসহ চার মাদককারবারিকে ১০ হাজার ইয়াবাসহ আটক করেছিল টেকনাফ থানা পুলিশের দল । ২০১৯ সালে মাদক কারবার ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণায় যে ১০২ জন কারবারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের উপস্থিতিতে আত্মসমর্পণ করেছিলেন, তাদের মধ্যে আটক শাহ আজম ছিলেন। এ বিষয়ে টেকনাফস্থ ২ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান বলেন, সীমান্তে মাদকের পাচাররোধে বিজিবি সব সময় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নাফনদী সীমান্তে যেসব চালান ঢোকার চেষ্টা করেছে, তার বেশিরভাগই বিজিবির হাতে ধরা পড়ছে। তবে পাচারকারীরা এখন রুট ও কৌশল পাল্টে মাদক কারবার চালিয়ে যেতে তৎপর। বিজিবি সীমান্তে নজরদারির পাশাপাশি সড়কেও চেকপোস্ট স্থাপন করে মাদকের পাচার রোধ করার চেষ্টা করছে। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান বরাবরই কঠোর রয়েছে। জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। শিগগিরই চিহ্নিত কারবারিদের ধরতে অভিযান শুরু হবে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ