,


শিরোনাম:
«» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ। «» শিবগঞ্জে অস্ত্র ও ককটেল সহ ১৩ মামলার আসামি গ্রেপ্তারে র‍্যাব «» চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স সম্পন্ন «» ফরিদগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ,অভিযুক্ত যুবক আটক

চায়ের দোকান গুলোতে জুয়ার মেলা, ধ্বংস হচ্ছে ছাত্র ও যুব সমাজ

সেলিম মাহবুব,ছাতকঃ দোয়ারাবাজারের বিভিন্ন গ্রামে প্রায় প্রতিটি চায়ের দোকানে রয়েছে লুডু, ক্যারাম ও গাফলা খেলার ব্যবস্থা। রাস্তার পাশে রয়েছে তাশ, গাফলা ও লুডু খেলার আড্ডা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ছাত্র ও যুবকদের বেশিরভাগ অংশই সকাল-বিকাল-সন্ধ্যা সেইসব খেলায় সময় দিচ্ছে। বলা যায়, সময়জ্ঞান নেই বলেই তারা সময়কে বিপথে কাজে লাগাচ্ছে। এই কারণে ধ্বংস নামছে ছাত্র ও যুবসমাজ। ছাত্র ও যুব সমাজ ধীরে ধীরে জুয়ার সাথে মিশে যাচ্ছে। বিপর্যস্ত হচ্ছে তারা। বাক-প্রতিবন্ধি মানুষের মতই সমাজের একটি প্রবীণ শ্রেণি নিজেদেরকে পুরোপুরি সম্পৃক্ত না করলেও বাধা দিচ্ছেন না। অন্যদিকে প্রচলিত আইনেও এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিশেষ করে রাস্তার পাশে দোকানগুলোতে কেরাম, লুডু, গাফলা ও তাশ খেলাতো সম্পূর্ণ অবৈধ। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এর ভিন্ন চিত্র। ছাত্র ও যুবকরা খেলায় প্রতিযোগীতার পাশাপাশি বাজি ধরে অনেক সময়ই খেলে থাকে। কিছু কিছু সময় বাজি যদি টাকার অংক নাও হয় সেটি দোকানের বিভিন্ন কোমল পানীয়, সাবান, তৈল অথবা ফাস্টফুড আইটেম হয়ে থাকে। এতে করে ছাত্ররা প্রতিদিন ১২০-১২৫ টাকা অনর্থক ব্যয় করে। পাশাপাশি বোর্ড ভাড়া দিয়ে আবার অতিরিক্ত টাকা গচ্ছা দিতে হয়। ছাত্রদের বাবার পকেটের টাকা ব্যাতীত আয়ের তেমন কোন উৎস নেই। প্রতিনিয়ত টাকা বাজে পথে খরচ করতে গিয়ে ঘরে চুরির অভ্যাস গড়ে উঠে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। বাজি ধরা বা জুয়া নামক এই সামাজিক ব্যাধীতে অনেক পরিবার ধ্বংসের পথে চলে যাচ্ছে। আর সমাজের ছোট-ছোট ব্যাধীই যে এক সময় বড় ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে ছাত্র ও যুবসমাজ নেতৃত্ব দেয় সেটি সবারই জানা। খবর নিয়ে জানা গেছে, দোয়ারাবাজার উপজেলার প্রতিটি গ্রামের বাজারে লুডু, কেরামবোর্ড রয়েছে চায়ের দোকান গুলোতে। স্থানীয় লোকদের কাছ থেকে জানা যায়, দোকানদার তাদের ব্যবসা ক্ষেত্রে লুডু খেলা বা জুয়া খেলার সুযোগ করে দিচ্ছেন দোকানের ভিতরে। এ খেলা প্রতিকারের জন্য আইন প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন সচেতন নাগরিকগন। পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি দোকানেই টেলিভিশন চালিয়ে গভির রাত পর্যন্ত আড্ডার মগ্ন থাকে এলাকা কিছু লোক। তাতে করেও চোর-ডাকাতের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সুশিল সমাজ। এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ দেবদুলাল ধর বলেন, রাস্তার পাশে কেরাম, তাশ ও লুডু খেলার কোন বৈধতা নেই। পুলিশ প্রশাসন বিষয়টি অবগত নয়। খোজ নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ