,


শিরোনাম:
«» প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ডে ২৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন-জনসভায় জনসমুদ্রে পরিণত ছিল «» চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় ধর্মঘট উপেক্ষা করে মাদ্রাসা মাঠে মানুষের ঢল «» ঠাকুরগাঁওয়ে পাক হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‍্যালি শোভা যাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত «» ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩ দোকান মালিকরা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর অনুদান «» যৌতুক না পেয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, গৃহবধূকে মারধর «» তুরাগে ১৫০টি দোকানের বিদ্যুৎ বিল মাসে ৭০০ টাকা দেখিয়ে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎকারী নামধারী নেতা গ্রেফতার। «» তুরাগে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম শুরু «» তুরাগে ২ বছরের শিশু ধর্ষণ : ধর্ষক মামুন আটক। «» ইদ-ই-মিলাদুন্নবি উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে স্বপ্নালোড়ন বাংলাদেশ «» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা।

সুনামগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং ও অনিয়ম-দূর্নীতিতে গ্রাহকরা অতিষ্টঃপ্রতিবাদে মানববন্ধন

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া,সুনামগঞ্জঃ
সুনামগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং ও নানান অনিয়ম-দূর্নীতির কারণে
অতিষ্ট হয়ে উঠেছে গ্রাহকরা। প্রতিদিন ৮ থেকে ১০বার লোডশেডিং হয়। তারপর
মাস শেষ হতে না হতেই ভুতুড়ে বিল এসে হাজির হয়। বিদ্যুৎ ব্যবহার না করেও
গ্রাহকদেরকে মাস শেষে গুনতে হচ্ছে হাজার হাজার টাকা। এই ভুতুড়ে বিলের
অত্যাচার দিনদিন বেড়েই চলেছে। এছাড়াও আরো নানান অনিয়ম ও দূর্নীতির
কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে গ্রাহকরা। কিন্তু এসব সমস্যা দেখার কেউ নেই।
তাই বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়ম ও দূর্নীতির প্রতিবাদে জেলার বিভিন্ন উপজেলায়
মানববন্ধন করছে ভোক্তভোগীরা।
এব্যাপারে ভোক্তভোগী গ্রাহকরা জানান- বিদ্যুৎ বিভাগের মিটার রিডারগণ তাদের
দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় না গিয়ে অফিসে বসেই তাদের মনগড়া ভাবে বিদ্যুৎ বিল
তৈরি করে গ্রাহকদের দিয়ে যাচ্ছে। তাদের এই অনিয়ম ও দূর্নীতির প্রতিবাদ করলে
মামলার ভয় দেখায়। এছাড়া ট্রান্সফরমার ও বাসা-বাড়ির মিটার নষ্ট হলে গ্রাহকরা
অফিসে টাকা জমা দিয়েও মাসের পর মাস হয়রানীর স্বীকার হতে হচ্ছে। আর নতুন
মিটারের জন্য আবেদন করলে অফিসে মিটার নাই বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ
বিভাগের এই অনিয়ম ও দূর্নীতি হর হামেশাই ঘটছে।
এব্যাপারে তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট বাজারের কাপড়পট্টিতে অবস্থিত দোকান
মালিক মোজাম্মেল আলম বলেন- করোনার কারণে আমার দোকান সব সময় বন্ধ থাকে।
শুধু ময়লা পরিস্কার করার জন্য মাসে ১দিন খোলা হয়। বাকি সময় বন্ধ থাকে। তাই
বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়না। তারপরও আমার নামে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে
৬হাজার টাকা। এই বাজারে কাপড় ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন, কবির ভূঁইয়া, সুলতান
মাহমুদসহ আরো অনেকেই বলেন- আমরা যে পরিমান বিদ্যুৎ ব্যবহার করি তার চেয়ে
দ্বিগুন বিল আসে। এব্যাপারে বারবার অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়না। বরং এই
অত্যাচার দিনদিন বেড়েই চলেছে। তাই এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন

কর্তৃপক্ষসহ প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক সহযোগীতা কামনা করেছেন ভোক্তভোগী
গ্রাহকরা।
পল্লী বিদ্যুতের এই অনিয়ম ও দূর্নীতির প্রতিবাদে গতকাল বুধবার (৯ জুন)
বিকেলে ছাতক বিদ্যুৎ বিভাগের কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন
করেছে ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার ভোক্তভোগীরা। পল্লী বিদ্যুতের
নিবার্হী প্রকৌশলীর অপসারণ দাবী করে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- ইউপি
সদস্য সালেহ আহমদ, ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান, আব্দুল হাই লায়েক, গ্রাহক আলী
হোসেন, মিজানুর রহমান মিজান, সাউউর রহমান লাল, সোলেমান মিয়া, মিলাদ
হোসেন, মমিন মিয়া, সেলিম মিয়া, পাবেল মিয়া, রাসেল মিয়া, শাহিন মিয়া
প্রমুখ।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ