,


শিরোনাম:
«» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ। «» শিবগঞ্জে অস্ত্র ও ককটেল সহ ১৩ মামলার আসামি গ্রেপ্তারে র‍্যাব «» চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স সম্পন্ন «» ফরিদগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ,অভিযুক্ত যুবক আটক «» মুহাম্মদ স: কে নিয়ে বিজেপি নেতাদের কটুক্তির প্রতিবাদে তুরাগ ও উত্তরায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে অনুষ্ঠিত। «» দুই সন্তান নাজমুল ও সুপারেশ কর্তৃক বৃদ্ধা মা লাঞ্ছিত” থানায় অভিযোগ «» রাজধানীর তুরাগে ডোবা থেকে অজ্ঞাত তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার «» উত্তরায় মা দিবস উপলক্ষে ৩০জন রত্নগর্ভা ‘মা’কে সম্মাননা «» উত্তরায় শিনশিন জাপান হাসপাতালে রোগীকে আটক রেখে নয় লাখ টাকা বিল।

ওসি প্রদীপকে কক্সবাজার কারাগারে স্থানান্তর

নুরল আলম,টেকনাফঃকক্সবাজার টেকনাফ মডেল সাবেক প্রদীপকে চট্টগ্রাম জেলা আদালতের অনুমতি নিয়ে চট্রগ্রাম কারা গার থেকে কক্সবাজার জেলা কেন্দ্রীয় কারাগারে জমা রাখা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান খুনের ঘটনায় আদালতে গ্রেফতার হওয়ায় সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে চট্টগ্রাম কারাগার থেকে কক্সবাজার কারাগারে এই অপরাধী কে আইনের ব্যবস্তা নেওয়া জন্য হস্তক্ষেপ করা গেল এবং আলোচিতও সমালোচিত এ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার দীর্ঘ সাত মাস পর আজ বৃহস্পতিবার ১০ জুন) দুপুরে তাকে আবারও কক্সবাজার জেলা আদালতে আনা হচ্ছে। চট্টগ্রাম জেলা কারাগারের জেলার খন্দকার গোলাম হোসেন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি জানান, বেলা পৌনে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থার মাঝে দিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছে একটি আইন শৃংখলা বাহিনীর দল। করোনার কারণে আদালত বন্ধ থাকায় তাকে সরাসরি যুক্ত করে বিভিন্ন কুশল বিনিময়ের কক্সবাজারের কারা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তাকে সাত মাস দুদকের একটি মামলায় আদালতে হাজির হতে চট্টগ্রাম কারাগারে রাখা হয়েছিল। আলোচিত মেজর সিনহা হত্যা মামলায় ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ জনকে ৩০২ ধারা এজাহার বরাবর নিকটে অভিযুক্ত করে জেলা আদালতে ৩০২. ৩৪ ধারা মোতাবেক অভিযোগপত্র দিয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১৫-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম। ওই বছরের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর ও মেড়িন ড্রাইভ সড়ক চেকপোস্টে গাড়ী তল্লাশিকে কেন্দ্র সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাখেদ খান কে ঠান্ডা মাথায় সরাসরি ওসি প্রদ্বীপের হুকুমে গুলি করে উড়িয়ে দেন এবং এ ঘটনায় গত ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ভারপ্রাপ্ত (পরিদর্শক) লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি করে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা ও এজাহার করা হয়। আদালত মামলাটি সুস্থ ভাবে তদন্তভার করার আর্দেশ দেন র‌্যাবকে। এরপর গত ৬ আগস্ট প্রধান আসামি লিয়াকত আলী ও প্রদীপ কুমার দাশসহ ৭ পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরবর্তীতে সিনহা হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার অভিযোগে পুলিশের করা মামলার ৩ জন সাক্ষী এবং শামলাপুর চেকপোস্টের দায়িত্বরত আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এ ছাড়া একই অভিযোগে পরে গ্রেফতার করা হয় টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক সদস্য কনস্টেবল রুবেল শর্মাকেও। মামলায় গ্রেফতার ১৪ আসামিকে র‌্যাবের তদন্তকারী কর্মকর্তা বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তাদের মধ্যে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা ছাড়া ১২ জন আসামি আদালতে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ১৬১ ধারা মোতাবেক ও ৩০২.৩৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন জেলা আদালতে গত ৪ অক্টোবর কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রধান আসামি লিয়াকতের আইনজীবী মাসুদ সালাহ উদ্দিন এ মামলাটি করেন। ওই দিন আদালত মামলাটির পূর্ণাঙ্গ শুনানির জন্য ২০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। কিন্তু শুনানির ওই নির্ধারিত দিনে সিনহা হত্যার মামলার বাদী শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস অসুস্থতার কারণে আদালতে উপস্থিত থাকতে না পারায় পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন ১০ নভেম্বর। অন্যদিকে মামলাটি শুনানির ওই নির্ধারিত দিনে (১০ নভেম্বর) সিনহা হত্যার মামলাটি বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা চেয়ে আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী মাসুদ সালাহ উদ্দিন অসুস্থ হয়ে পড়েন। এতে মামলাটির পূর্ণাঙ্গ শুনানির দিন আবারও পিছিয়ে যায়। ওই দিন (১০ নভেম্বর) আদালত মামলাটির পূর্ণাঙ্গ শুনানির জন্য ১৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন। এ মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর দুদকের একটি দুর্নীতি মামলায় চট্টগ্রাম আদালতে হাজির হওয়ার জন্য ওসি প্রদীপকে। সে সুবাধে তাকে ২০২০ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয় অবশেষে সুস্থ বিচারে জন্য জেলা কারগারে ও জনগণের সামনে আনা হয়েছে

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ