,


শিরোনাম:
«» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা। «» জিএম কাদেরের ফোন ছিনতাই করে ২৩ হাজার টাকা বিক্রি, বসুন্ধরা মার্কেট থেকে ৮ দিন পর খোলা ফোন উদ্ধার। «» শেরে-বাংলা নগরে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই চলছে সরকারি দপ্তরের গাড়ির তেল চুরি «» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ।

লাফার্জঘাট সড়ক মরণফাঁদে পরিণতঃজনদূর্ভোগ চরমে!!

সেলিম মাহবুব,ছাতকঃ ছাতক পৌর শহরের কলেজ রোড থেকে লাফার্জ ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়কটি প্রায় চার বছর ভাঙ্গা থাকার পর গোবিন্দগঞ্জ-ছাতক-দোয়ারাবাজার সড়কের এ অংশটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। চার বছরে এ সড়কে বেশ ক’টি দূর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। সড়কের এ অংশটি স্থানে-স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছিলো। প্রায় স্থানে সড়ক ভেঙ্গে সড়কের রড বের হয়ে বিপদজনক অবস্থায় ছিলো। বর্ষা মৌসুমে সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। সড়ক সংস্কারের দাবিতে এলাকার লোকজন আন্দোলন করেছেন। সড়ক অবরোধ, মানববন্ধন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরেও সড়কটি সংস্কারের জন্য আবেদন-নিবেদন করেছেন স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন পর সড়ক সংস্কারের জন্য অর্থ বরাদ্দ হলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সড়কে কিছু কাজ করে কাজ বন্ধ রেখে দিয়েছে। ফলে জনদূর্ভোগ কমে যাওয়ার বদলে আরো বেড়েই গেছে। সড়কে মাটি, বালু ও কিছু কংক্রিট দিয়ে রোলিং করা হলেও বৃষ্টি পড়ার পর সড়কটিতে আবারো গর্তের সৃষ্টি হয়েছে এবং কাদায় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। সড়কের কাদা এখন ফুটপাত পেরিয়ে যাচ্ছে। ফুটপাত দিয়েও মানুষ এখন হাটাচলা করতে পারছে না। আবারো এলাকাবাসী এ সড়ক নিয়ে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন বলে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দারা জানান। রাস্তা দিয়ে ট্রাক সহ ভারী যানবাহন চলাচলের সময় রাস্তার কাদা দু’পাশের দোকান ও বাসাবাড়িতে ছিটকে পড়ে। প্রায়সময়ই ট্রাকের চাকা গর্তে আটকে যানযটের সৃষ্টি হয়। জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের এ অংশটি সংস্কারের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো নজরদারি নেই। গত ৬মে সড়ক সংস্কার কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক। এসময় টানা এক সপ্তাহ সড়কে মাটি ও বালু ভরাট কাজ হয়েছে। এর কিছুদিন পর থেকেই কাজ বন্ধ হয়ে পড়ে। স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, এ রাস্তায় রোলিং সহ যতটুকু কাজ হয়েছে তা অত্যন্ত নিম্নমানের। বালু, পাথর দিয়ে রাস্তা ভরাট করে রোলিং করা হয়নি এ রাস্তায়। কিছু কংক্রিট মিশ্রিত বালু ও মাটি দিয়ে রাস্তা ভরাটের কারণে বৃষ্টি পড়ার সাথে সাথেই রাস্তাটি কাদায় পরিপূর্ণ হয়ে পড়েছে এবং অবস্থা বেগতিক। ছোট-ছোট যানবাহন প্রতিদিন সড়কের কাদায় হাবুডুবু খাচ্ছে। এ ব্যাপারে ছাতক পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন সুমেন জানান, দীর্ঘদিন জনদূর্ভোগের পর রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হলে এলাকার লোকজনের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছিলো। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিম্নমানের কাজ ও খামখেয়ালিপনায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ আরো চরম আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে এ রাস্তা যানচলাচলের অনুপযোগী। ঝুঁকি নিয়ে তিনটি কারখানার পণ্যবাহী যান সহ যাত্রীবাহী যান চলাচল করছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আশপাশের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ