,


শিরোনাম:

ইয়াবা ব্যবসায় চাঙ্গা সাবরাং নয়াপাড়ার জামাই আনসারুল ও শাশুড়ি তৈয়ুবা সিন্ডিকেট

নুরুল আলম,টেকনাফঃইয়াবা ব্যবসায় চাঙ্গা সাবরাং নয়াপাড়ার জামাই আনসারুল ও শাশুড়ি তৈয়ুবা সিন্ডিকেট মাঝে রহিয়াছে টেকনাফ পৌর সভায় বিশেষ প্রতিবেদক ◑ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নানা পদক্ষেপের পরও থামছে না মরণ নেশা ইয়াবা প্রবেশ। মাদকবিরোধী অভিযান থমকে যাওয়ায় বেড়েছে ইয়াবা ব্যবসা বাণিজ্য । বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে তালিকাভুক্ত এবং এর বাইরে থাকা মাদক কারবারীরা আটক হয়েছে। কিন্তু অধরা থেকে যাচ্ছে অধিকাংশ ইয়াবার নেপথ্য নায়করা। নানা কৌশলে তারা মাদকের এ অবৈধ ব্যবসা জিইয়ে রেখেছে। তারই টেকনাফ উপজেলার সাবরাং নয়াপাড়ার ডেইলপাড়ার মাজেদ বলির ছেলে আনসারুল ইসলাম, তার শাশুড়ি টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নতুন পল্লান পাড়ার ছৈয়দ হোছনের স্ত্রী তৈয়ুবা ও তার ছেলে জমিল হোছনের ও টেকনাফ পৌর কেকে পাড়া বজলের ছেলে সালাম ও ৭নং ওয়ার্ড ওয়ার্ড মৃত্যু নজির আহাম্মদ লজ্জার ছেলে আবুল কালাম লেরু) ৩৫)এবং রয়েছে একটি পারিবারিক ইয়াবা সিন্ডিকেট। মহামারী করোনার মাঝে ও টেকনাফ এলাকায় মাদকের জাল ছড়িয়ে রেখেছে এই সিন্ডিকেট। টেকনাফের বিভিন্ন চোরাই পথ ব্যবহার করে পাশ্ববর্তী মিয়ানমার থেকে মাদক নিয়ে আসে তারা। রীতিমতো চালিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসা বাণিজ্য টেকনাফ থেকে নদী পথে বিপুল ইয়াবা এনে তা পাচার করে অঢেল অর্থ সম্পদের মালিক হওয়া। এক সময়ে ভবঘুরের ফেরারী এখন বিলাস বহুল রঙ মহলে বসে নিয়ন্ত্রণ করে ইয়াবার জগত। রাজনৈতিক ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ইয়াবাসহ নানা অপরাধে জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এলাকার প্রতিটি অপকর্মেই তাদের হাত রয়েছে। তার কারণে এলাকার সমাজ ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তৈয়ুবা, আনসারুল, জমিল হোসেন এলাকায় ইয়াবা ব্যবসায়, সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে টাকা আদায়, চাঁদাবাজি, ইয়াবা পাচার, মানব পাচারসহ নানা অপকর্মে জড়িত রয়েছে। বিশেষ করে সমাজের খারাপ ও কতিপয় যুবক-যুবতী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ব্যবহার করে মুলত এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে তারা। তাদের কারণে পুরো এলাকাবাসী এখন ভীত সন্ত্রস্ত্র। এলাকায় তার ক্ষমতার প্রভাব এতই বেশি- সাধারণ লোকজন কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। এই গডফাদারদের গোয়েন্দা সংস্থা ও রাষ্ট্রের কালো তালিকা ভুক্ত ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনিক কার্যালয় সর্বত্র মহড়া দিয়ে নানান অবৈধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অসংখ্য পাচারকারীর পৃথক পৃথক সিন্ডিকেট ছাড়াও তার রয়েছে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক পরিচয়ী কিছু দুর্বৃত্ত, অসাধু জনপ্রতিনিধি। এসব বাহিনীর অপশক্তি ব্যবহার করে মিয়ানমার হতে হাজার হাজার ইয়াবা এনে সারা দেশে সরবরাহ করে রমরমা বাণিজ্য গড়ে তোলে। সূত্র জানায়, তার নেতৃত্বে টেকনাফের ১০/১২টি স্পটে প্রকাশ্যে চলছে বিভিন্ন মাদক দ্রব্যের কেনা-বেঁচা। শুধু ব্যবসাতেই সে ক্ষান্ত নয়। এসব স্পটে আনসারুলের নেতৃত্বে তার অনুসারীরা মাদক সেবন ও সরবরাহও করছে দাপটের সাথে। এতে চরম উৎকন্ঠা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে অভিভাবকরা। আগে তার কিছুই ছিলনা। কিন্তু ইয়াবার বদৌলতে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছে। তার রয়েছে প্রচুর অর্থ সম্পদ। এখন টেকনাফসহ কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন স্থানে নামে-বেনামে জায়গা ক্রয় করছে। এছাড়া রয়েছে অসংখ্য গাড়ী তার চলমান ইয়াবা ব্যবসা বন্ধ করতে এলাকার সুশীল সমাজ প্রতিবাদ করতে গেলে হুমকি ধমকি দেন প্রতি মুহূর্তে। গত কয়েকমাসের মধ্যে বেশ কয়েকবার এলাকায় সুশীল সমাজকে অস্ত্র মহড়া দিয়ে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তাদের সাঙ্গ পাঙ্গদের অস্ত্র মহড়ার কারনে এলাকায় মুখ খোলতে নারাজ অনেকে। তাদের সংঘবদ্ধ একটি দল সবসময় মোটরসাইকেল ও অস্ত্র নিয়ে ঘুরাফেরা করে তাই তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলেনা। এদিকে কায়েসের অবৈধ পন্থায় করা বিভিন্ন স্থানে বিলাস বহুল প্রসাদ, দালান ভবন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, একাধিক নানান মডেলের যানবাহন গড়ার বিষয়টি এখন এলাকায় আলোচ্য বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। অভিযুক্ত ইয়াবা গড় ফাদার কালো টাকা ও শক্তির প্রভাবে নিরাপদে চালান দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে যাচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, বাড়ী টেকনাফ এলাকায় হওয়ায় কালো জগতে নাম লেখাতে বেগ পেতে হয়নি। তাই রাতারাতি বড় লোক হওয়ার স্বপ্নে জড়িয়ে পড়েন মাদক ব্যবসায়। বিভিন্ন কায়দায় মাদক পাচার করত সে। কখনও মোটরসাইকেলে আবার কখনও পায়ে হেটে আগে থেকে ঠিক করা স্পটে আসক্তদের মাদক পৌছে দেয় ও তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা। লেনদেন হয় বিকাশের মাধ্যমে। দুপুর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত রমরমা ব্যবসা চলে। তাদের সিন্ডিকেটের উঠতি বয়সী কয়েকজন যুবক এসব স্পটে মটরসাইকেলে করে প্রশাসনের আনাগোনা লক্ষ রাখে। প্রশাসনিক চাপ এড়াতে পুলিশের সোর্স হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেয় তারা। ও পুলিশের সোর্স ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের অপরাধী কাজে জড়িত এদিকে আরও জানা গেছে, সিনহা হত্যাকাণ্ডের পর যেসব মাদক ব্যবসায়ী আত্মগোপনে ছিল, তাদের সবাই এলাকায় ফিরেছে। পুরনো ও নতুন গডফাদারদের পাশাপাশি সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন কায়দা গডফাদার। যাদের নাম কোনো তালিকায় নেই। মাদক কারবারী বিষয় টেকনাফ পৌর সভার তাজরমুললুকের ছেলে মোঃ হাসিম থেকে জানতে চাইলে তিনি প্রায় বলেন. টেকনাফ পৌর ৮নং ওয়ার্ড মধ্যম জালিয়া পাড়ার নবী হোছনের ছেলে মোহাম্মদ হোছন ৪৫)স্বরাষ্ট্র মন্রাণালয়ের তালিকা ভুক্ত ও বন্দুক যুদ্ধের নিহত মোস্তাক আহাম্মদ মৌসুর) টেকনাফ মডেল থানায় আসামী এবং যে কোনো কোশল বিনিময়ে মোটা অংকের কাল টাকার বিনিময় সেই অভিযোগ পত্র থেকে বাদ পরেছে ও অসহায় পরিবারের লোকজন বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন টেকনাফ মডেল থানা ও সেই মোহাম্মদ হোছন সিনহা খুনের পরে সীমান্তে পয়েন্টে জুড়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা যায় এবং তিনি আরও জানান টেকনাফ পৌর একি এলাকার মৃত্যু আবুল কালামের ছেলে মোঃ রাসেল ২৮) আইন শৃংখলা বাহিনীর সোর্সোর নাম ব্যবহার করে সেই রাসেল ইয়াবা সিন্ডিকেট মাঝে মাদক পচার কারী ও ইয়াবা ব্যবসায়ী সঙ্গে আদান প্রদান করেন এবং যে কোনো কোশল বিনিময়ে ১০০০ মধ্যে তার সিন্ডিকেটের একজন ইয়াবাসহ আটক করেদেন তিনি আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে ও নিজের জন্য.সেই রাসেল নিজের জন্ম ভুমি এলাকায় ঘর বাড়ী নির্মান না করে. টেকনাফ সদর কছু বনিয়া এলাকায় বিলাস বহুল বাড়ী ভিটা নির্মান করছে এই বিষয় উল্লেখ করেন আওয়ামীগ নেতা হাসিমও গোয়েন্দা সংস্থা নিকটে তদন্ত করা জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন এবং যাচাই-বাছাই করার লক্ষের কাছাকাছি দুর্নীতি দমন কমিশন কাশে আবেদন করেন হাসেম) ✆ নং ০১৯২৬০৮৫৪৩৬ টেকনাফ মডেল থানার থেকে ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে ও ফোন বন্ধ) ফোন নং ০১৭১৩৩৭৩৬৬৬ এ প্রসঙ্গে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান বলেন, টেকনাফে যে সমস্ত ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে তাদের ব্যাপারে পুলিশ খবরা খবর রাখছে। সময় মতো আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। সেক্ষেত্রে ইয়াবা ব্যবসায়ী যতো বড়ই প্রভাবশালী হোক না কেন কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যদিও ফের ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে নিহত হয়েছে আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে সেই বন্দুক যুদ্ধ টেকনাফ মডেল থানার ৩টি এজাহার ভুক্ত আসামি নবী হোছনের ছেলে মোঃ হোছন ৪০) মধ্যম জালিয়া পাড়ার ৮নং ওয়ার্ড সেই মামলার অভিযোগ পত্র থেকে বাদ দিয়ে ছে মোটা অংকের কাল টাকার বিনিময় মাঠে ময়দানে মাদক সিন্ডিকেটের কর্ণধার মোহাম্মদ হোছন) এদিকে, টেকনাফের সচেতন মহলের দাবী। যুব সমাজকে খাদের কিনার থেকে টেনে তুলতে মাদকের গডফাদারদের শেকড় উপড়ে ফেলতে হবে। টেকনাফের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুশৃঙ্খলভাবে গড়ে তুলতে মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের আরও সোচ্চার হওয়ার প্রয়োজন। বর্তমান সরকারের চলমান মাদক বিরোধী জিরো টলারেন্স সফল করতে দুটি আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পন হয়ে গেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যের ব্যাপার ২য় দফা তালিকায় এই বেপরোয়া এই মাদক ব্যবসায়ীর নাম ছিলনা। ২য় দফায়ও তার নাম তালিকায় না থাকা এই নিয়ে চলছে টেকনাফ জুড়ে নানা গুঞ্জন। তাকে শিঘ্রী আইনের আওতায় এনে টেকনাফ কে কলঙ্কমুক্ত করা হউক এবংছোটবড় সকল সিন্ডিকেট সদস্যদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবী জানিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সচেতন মহল।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ