,


শিরোনাম:

নিখোঁজ হওয়ার ২৮ ঘন্টা পরে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

মিরাজুল ইসলাম,বামনাঃবরগুনার বামনা উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামে নিখোঁজ হওয়ার ২৮ ঘন্টা পরে আজ সোমবার দুপুর ১২টায় মো. আবু হাওলাদার (৫৫) নামে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে মৃত আ. ওয়াহেদ হাওলাদারের মেঝ ছেলে ও ঢাকা খন্দকার মাহবুব হোসেন চক্ষু হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ছিলেন। আজ দুপুরে বাড়ীর পাশের একটি বাগানের কাঠাঁল গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ দেখতে পায় নিহতের বোন। পরে বামনা থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার সকাল ৮টায় বাড়ী থেকে বেড় হয় আবু হাওলাদার। দিন শেষে রাত হলেও তিনি বাড়ীতে না পৌছালে পরিবারের লোকজন মস্ভব্য সকল স্থানে খুজেও তাকে পাননি। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করাসহ স্থাণীয় বিভিন্ন বাজারে তাকে খুজে পেতে মাইকিং করেন পরিবারের লোকজন। আজ সোমবার দুপুর ১২টায় আবু হাওলাদারের ছোট বোন হেনারা বেগম বাড়ীর পিছনের বাগানে গেলে একটি কাঠাঁল গাছে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে পরিবারের লোকজনকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। এ ব্যাপারে ঢাকা খন্দকার মাহবুব হোসেন চক্ষু হাসপাতালের পরিচালক খন্দকার মহিদুল ইসলাম মোর্শ্বেদ জানান, আবু হাওলাদার চক্ষু হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসাবে চাকরী করতেন। তাঁর মানষিক অবস্থা কিছুটা বিপর্যন্ত থাকায় তাকে গত মার্চ মাসে চিকিৎসার জন্য ছুটি দেওয়া হয়েছিলো। টানা ২২দিন ছুটি ভোগ করে তিনি পুনরায় চাকুরীতে যোগদান করেন। পুনরায় তার মানষিক অবস্থা আরো খারাপ হওয়ায় তাকে গত ৫ মে আবার ছুটি দেয়ে বাড়ী পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তিনি চাকুরীরত থাকা অবস্থায় অফিসের ছাদে উঠে আত্মহত্যা করার কথা অেিসর অনেক কর্মীকে বলেন। এটা শুনে তাকে চিকিৎসার জন্য পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠানো হয়েছিলো। বামনা থানার অফিসার ইন চার্জ মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ঝুরন্ত মরদেহ পাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। দুপরে মরদেহটির মৃত্যুর সঠিক কারণ উদ্ঘাটনের জন্য ময়নাতদন্ত করতে বরগুনা মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ