,


শিরোনাম:
«» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা। «» জিএম কাদেরের ফোন ছিনতাই করে ২৩ হাজার টাকা বিক্রি, বসুন্ধরা মার্কেট থেকে ৮ দিন পর খোলা ফোন উদ্ধার। «» শেরে-বাংলা নগরে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই চলছে সরকারি দপ্তরের গাড়ির তেল চুরি «» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ।

শরীয়তপুরে তারাবি নামাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ

শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের গয়ঘর খলিফাকান্দি গ্রামে মালয়েশিয়া প্রবাসী দাদন খলিফা (৩০) নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে ৷ নিহত দাদন খলিফা ঐ এলাকার সেকেন্দার খলিফার ছেলে ৷

দাদন খলিফার চাচাত দাদা মোঃ নুরুল হক খলিফা বলেন-পরিবারের সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার জন্য দাদন খলিফা ২০১৪ সালে মালয়েশিয়া পারি জমান। দীর্ঘ ৬ বছর থাকার পর মা-বাবা এবং দেশের টানে গত দুই মাস পূর্বে বাংলাদেশে চলে আসেন।
গত ১৫ এপ্রিল রাত সাড়ে নয়টার দিকে পবিত্র মাহে রমজানের তারাবির নামাজ শেষ করে বাড়ি যাওয়ার পথে স্থানীয় সন্ত্রাসী বাহীনি তাকে ধরে নদীর ওপার পাট খেতে নিয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে দুই হাত পা কুপিয়ে রক্তাক্ত যখম করে চলে যায় ৷ পরে স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয়-স্বজন আহত অবস্থায় দাদন খলিফা’কে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্তার রোগীর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দাদন খলিফা কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাবুবাজার ব্রিজে রাত তিনটার দিকে মৃত্যুবরণ করেন। গত দুই সপ্তাহ পূর্বে নিহত দাদন খলিফা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ওই নববধূকে এখনো বাড়িতে আনা হয়নি।

জরুরী বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দাদন খলিফা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (নড়িয়া সার্কেল এসপি)কে বলে যান-আমাকে কুপিয়েছে ইদ্রিস খা, আবুল খা, রশিদ খলিফা, আজিজ খলিফা, শাজাহান খা, আজাহার খা, নাসির মাদবর, বাচ্চু মাদবর সহ অজ্ঞাত অারো কয়েক জন ৷ তখন স্থানীয় কয়েক জন সাংবাদিকও উপস্থিত ছিলেন ৷

এই বিষয়ে পালং থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আক্তার হোসেন বলেন-আহত অবস্থায় দাদন খলিফার বক্তব্য পেয়েছি। রাতেই মামলা হয়েছে । এ জগন্যতম নির্মম হত্যার সাথে যারা জড়িত রয়েছে তারা যতই শক্তিশালীই হোক না কেন তাদের গ্রেফতার করে আনা হবে আইনের আওতায়।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ