,


শিরোনাম:
«» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা। «» জিএম কাদেরের ফোন ছিনতাই করে ২৩ হাজার টাকা বিক্রি, বসুন্ধরা মার্কেট থেকে ৮ দিন পর খোলা ফোন উদ্ধার। «» শেরে-বাংলা নগরে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই চলছে সরকারি দপ্তরের গাড়ির তেল চুরি «» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ।

স্রষ্টা ও সৃষ্টি পর্ব -০৪

হযরত মাওলানা মুফতি রহমত উল্লাহ্,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকঃপ্রিয় পাঠক-পাঠিকা,ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? আমি আপনাদের সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা করি।সে সাথে আমার স্রষ্টা ও সৃষ্টি বিষয়ক পর্ব গুলি পাঠ করায় কৃতঙ্গতা আদায় করছি।আর আল্লাহ তাওফিক দেওয়ায় আজ চতুর্থ পর্ব নইয়ে লিখতে বসলাম।
শুরু করছি সবাইকে পৃথিবীর একমাত্র শ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলামের ছায়াতলে আহবানে পূর্ণ বিশ্বাস ও ভালোবাসার সহিত।
আজ আপনাদের সমীপে পেশ করব পৃথিবীর একজন ঐদ্ধত্যপূর্ণ নাস্তিকের বিষয়ে যে আল্লাহর অস্তিত্ব অস্বীকার করে নিজের ক্ষমতা প্রকাশ করতে গিয়ে অপমান অপদস্ত তো হলোই সাথে সাথে শেষ পর্যন্ত তার প্রস্থান প্রমাণ করে যে সেও স্রষ্টায় বিশ্বাসী কিন্তু ক্ষমতা ও আহমিকার কারণে কেবল তা অস্বীকার করে।
সে ছিল নমরুদ ইবনে কুস ইবনে কিনয়ান।আমরা এখন ঐশী গ্রন্থ আল কোরআনের ভাষায় এই নাস্তিকের লাঞ্ছনার ঘটনাটি শুনবো।ইরশাদ হচ্ছে, ‘তুমি কি ওই ব্যক্তির কাহিনী সম্পর্কে জ্ঞাত হওনি যে, ইব্রাহীম এর সঙ্গে বিতর্ক করেছিল স্বীয় প্রতিপালক সম্বন্ধে যেহেতু আল্লাহ তাকে রাজত্ব দিয়েছেন। যখন ইব্রাহিম বললেন আমার রব এরূপ যে,তিনি জীবন দান করেন এবং মৃত্যু ঘটাযন। সে বলল, আমি তো জীবন দান করিয়া জীবন হরণকারি। ইব্রাহিম বলেন আল্লাহ সূর্য পূর্ব দিকে উদিত করে তুমি পশ্চিম দিক থেকে উদিত করে দাও দেখি।
তাতে সেই কাফের হতভম্ব হয়ে গেলো,আর আল্লাহ এমন বিপথগামীদের হেদায়েত করেন না। [সূরা বাক্বারা – ২৫৮]
আমরা নম্রুদ সম্পর্কে একটু জেনে নেই, তার পিতার নাম ছিলো জিনয়ান, সে ছিলো জারজ সন্তান।সে সম্পূর্ণ ভূ-মন্ডলের অধিপতি ছিলো।আরো জেনে রাখুন মহান আল্লাহ তায়ালা বিশ্ব ভ্রম্মান্ডে ০৪ জন ব্যক্তিকে সারা দুনিয়ার রাজত্ব দান করেছিলেন।তার মধ্যে ২ জন মুসলিম ১/যুলকারনাইন ২/হযরত সোলাইমান (আঃ) আর ২ জন কাফের ১/নমরুদ ২/বখতে মসর।[ইবনে কাসির-১-৬৮]
নমরুদ ক্ষমতার মোহে পড়ে সৃষ্টি কর্তা মঅহান আল্লাহ তায়ালার সমুদয় সৃষ্টিকে অস্বিকার করে বলেছিলো পৃথিবীর কোন স্রষ্টা নেই।প্রাকৃতিক এগুলো গড়ছে আর ধ্বংস হচ্ছে এবং সে একজন তাওহীদ বাদীর ঈমানের দৃঢ়তার কাছে হার মানে।হায়াতে তাওহীদ পন্থী ইব্রাহিম (আঃ) তার প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন এ পৃথিবীর স্রষ্টা তিনি সূর্যকে পূর্ব দিক থেকে উদিত করেন,পশ্চিমে অস্ত নেন।তুমি আজ উল্টোটা করে দেখাও। এই উক্তির পর বিব্রত বোধ করে সম্পূর্ণ নির বাক হয়ে সে বিতর্ক থেকে সরে পড়ে, অবশ্য এর যথেষ্ট কারণ ও আছে, কারণ তার অন্তরে তখন অনিচ্ছা সত্ত্বেও এ কথা জেগে উঠে নিশ্চই আল্লাহ আছেন এবং পূর্ব দিক থেকে সূর্য উদয় করা ও তার কাজ।
তিনি ইচ্ছে করলে আবার তা পশ্চিম দিক থেকে ও উদিত করতে পারেন।আমি আর বেশি না বাড়িয়ে আমার এই ভাইদের আহবান করবো যারা আল্লাহকে বিশ্বাস করেনা।তারা আজও যদি সূর্যটিকে পশ্চিম দিক থেকে উদিত করে দেখাতে পারো তাহলে তোমাদের দলে এরপর যে লোকটি প্রথম যোগ দিবে সে হলাম আমি।নচেৎ আমার আহবানে সাড়া দিয়ে ফিরে এসো জান্নাতের পথে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ