,


শিরোনাম:
«» তুরাগে গৃহবধু হত্যার অভিযোগে স্বামীর বন্ধু গ্রেফতার «» ভাড়া বাসায় অবস্থান করে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতী করতো তারা’ «» ঈশ্বরদীতে ২০০ লিটার মদসহ গ্রেফতার ১ «» ঈশ্বরদীতে নবজাতক হত্যার অভিযোগ সাবেক স্বাস্থ্যকর্মীর আকলিমার বিরুদ্ধে «» সাংবাদিকতার দায় একমাত্র জনসাধারণের কাছে:তিতুমীর «» ঈশ্বরদীতে প্রণোদনার সার-বীজ প্রদানে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রকৃত কৃষকদের «» ঈশ্বরদীতে বালু খেকোদের কবলে বিলিন হাজার হেক্টর ফসলি জমি, দিশেহারা কৃষক «» ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পালিত র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত «» চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাবেক এমপি ও জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদকের বাসভবনে হামলা «» চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষকলীগের অনুষ্ঠানে সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা মিনহাজ আহত

স্রষ্টা ও সৃষ্টি পর্ব -০৪

হযরত মাওলানা মুফতি রহমত উল্লাহ্,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকঃপ্রিয় পাঠক-পাঠিকা,ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? আমি আপনাদের সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা করি।সে সাথে আমার স্রষ্টা ও সৃষ্টি বিষয়ক পর্ব গুলি পাঠ করায় কৃতঙ্গতা আদায় করছি।আর আল্লাহ তাওফিক দেওয়ায় আজ চতুর্থ পর্ব নইয়ে লিখতে বসলাম।
শুরু করছি সবাইকে পৃথিবীর একমাত্র শ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলামের ছায়াতলে আহবানে পূর্ণ বিশ্বাস ও ভালোবাসার সহিত।
আজ আপনাদের সমীপে পেশ করব পৃথিবীর একজন ঐদ্ধত্যপূর্ণ নাস্তিকের বিষয়ে যে আল্লাহর অস্তিত্ব অস্বীকার করে নিজের ক্ষমতা প্রকাশ করতে গিয়ে অপমান অপদস্ত তো হলোই সাথে সাথে শেষ পর্যন্ত তার প্রস্থান প্রমাণ করে যে সেও স্রষ্টায় বিশ্বাসী কিন্তু ক্ষমতা ও আহমিকার কারণে কেবল তা অস্বীকার করে।
সে ছিল নমরুদ ইবনে কুস ইবনে কিনয়ান।আমরা এখন ঐশী গ্রন্থ আল কোরআনের ভাষায় এই নাস্তিকের লাঞ্ছনার ঘটনাটি শুনবো।ইরশাদ হচ্ছে, ‘তুমি কি ওই ব্যক্তির কাহিনী সম্পর্কে জ্ঞাত হওনি যে, ইব্রাহীম এর সঙ্গে বিতর্ক করেছিল স্বীয় প্রতিপালক সম্বন্ধে যেহেতু আল্লাহ তাকে রাজত্ব দিয়েছেন। যখন ইব্রাহিম বললেন আমার রব এরূপ যে,তিনি জীবন দান করেন এবং মৃত্যু ঘটাযন। সে বলল, আমি তো জীবন দান করিয়া জীবন হরণকারি। ইব্রাহিম বলেন আল্লাহ সূর্য পূর্ব দিকে উদিত করে তুমি পশ্চিম দিক থেকে উদিত করে দাও দেখি।
তাতে সেই কাফের হতভম্ব হয়ে গেলো,আর আল্লাহ এমন বিপথগামীদের হেদায়েত করেন না। [সূরা বাক্বারা – ২৫৮]
আমরা নম্রুদ সম্পর্কে একটু জেনে নেই, তার পিতার নাম ছিলো জিনয়ান, সে ছিলো জারজ সন্তান।সে সম্পূর্ণ ভূ-মন্ডলের অধিপতি ছিলো।আরো জেনে রাখুন মহান আল্লাহ তায়ালা বিশ্ব ভ্রম্মান্ডে ০৪ জন ব্যক্তিকে সারা দুনিয়ার রাজত্ব দান করেছিলেন।তার মধ্যে ২ জন মুসলিম ১/যুলকারনাইন ২/হযরত সোলাইমান (আঃ) আর ২ জন কাফের ১/নমরুদ ২/বখতে মসর।[ইবনে কাসির-১-৬৮]
নমরুদ ক্ষমতার মোহে পড়ে সৃষ্টি কর্তা মঅহান আল্লাহ তায়ালার সমুদয় সৃষ্টিকে অস্বিকার করে বলেছিলো পৃথিবীর কোন স্রষ্টা নেই।প্রাকৃতিক এগুলো গড়ছে আর ধ্বংস হচ্ছে এবং সে একজন তাওহীদ বাদীর ঈমানের দৃঢ়তার কাছে হার মানে।হায়াতে তাওহীদ পন্থী ইব্রাহিম (আঃ) তার প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন এ পৃথিবীর স্রষ্টা তিনি সূর্যকে পূর্ব দিক থেকে উদিত করেন,পশ্চিমে অস্ত নেন।তুমি আজ উল্টোটা করে দেখাও। এই উক্তির পর বিব্রত বোধ করে সম্পূর্ণ নির বাক হয়ে সে বিতর্ক থেকে সরে পড়ে, অবশ্য এর যথেষ্ট কারণ ও আছে, কারণ তার অন্তরে তখন অনিচ্ছা সত্ত্বেও এ কথা জেগে উঠে নিশ্চই আল্লাহ আছেন এবং পূর্ব দিক থেকে সূর্য উদয় করা ও তার কাজ।
তিনি ইচ্ছে করলে আবার তা পশ্চিম দিক থেকে ও উদিত করতে পারেন।আমি আর বেশি না বাড়িয়ে আমার এই ভাইদের আহবান করবো যারা আল্লাহকে বিশ্বাস করেনা।তারা আজও যদি সূর্যটিকে পশ্চিম দিক থেকে উদিত করে দেখাতে পারো তাহলে তোমাদের দলে এরপর যে লোকটি প্রথম যোগ দিবে সে হলাম আমি।নচেৎ আমার আহবানে সাড়া দিয়ে ফিরে এসো জান্নাতের পথে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ