,


শিরোনাম:
«» তুরাগে গৃহবধু হত্যার অভিযোগে স্বামীর বন্ধু গ্রেফতার «» ভাড়া বাসায় অবস্থান করে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতী করতো তারা’ «» ঈশ্বরদীতে ২০০ লিটার মদসহ গ্রেফতার ১ «» ঈশ্বরদীতে নবজাতক হত্যার অভিযোগ সাবেক স্বাস্থ্যকর্মীর আকলিমার বিরুদ্ধে «» সাংবাদিকতার দায় একমাত্র জনসাধারণের কাছে:তিতুমীর «» ঈশ্বরদীতে প্রণোদনার সার-বীজ প্রদানে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রকৃত কৃষকদের «» ঈশ্বরদীতে বালু খেকোদের কবলে বিলিন হাজার হেক্টর ফসলি জমি, দিশেহারা কৃষক «» ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পালিত র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত «» চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাবেক এমপি ও জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদকের বাসভবনে হামলা «» চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষকলীগের অনুষ্ঠানে সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা মিনহাজ আহত

লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসি ভেজাল ঔষধঃরাজস্ব হারাচ্ছে সরকার,দূর্ভোগে মানুষ

শিবব্রত,ফেনীঃ
উপজেলার আনাচে কানাচে ও পাড়া মহল্লায় চেয়ে গেছে লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসি। এমনকি গ্রামের চা ও মুদী দোকানের অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত দোকানদাররা ও বিভিন্ন ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল রেখে চালাচ্ছে রমরমা ফার্মেসি ব্যবসা । অধিকাংশ ফার্মেসিতে সরকারি, ফিজিসিয়ান স্যাম্পল,ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধের ছড়াছড়ি। কতৃপক্ষের উদাসীনতার কারনে অনেক ক্ষেত্রে ফার্মেসির মালিক , কর্মচারী এবং চা মুদী দোকানের মালিকরা চিকিৎসক হিসেবে রোগী দেখছেন।ফলে একদিকে সরকার যেমন রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে,অপর দিকে প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।পরশুরামের সুবার বাজার রোড,কাউতলি রোড

কালি বাজার, অনন্ত পুর গ্রামের চা দোকান, বক্সমাহমুদ,চিথলিয়া,শালধর,রাজষপুর,ধনীকুন্ডা,প: সাহেব নগর উজির দীঘির পাড়, চন্দনা , গুরুমা নতুন বাজার ও বাশপদুয়া বাজার এলাকার অলিগলিতে অগনিত কথিত ফার্মেসি রয়েছে।যারা দীর্ঘদিন সরকারি ঔষধ ও নিম্ন মানের ভেজাল বিক্রি করে বেশি মুনাফার আশায় মানুষের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
সম্প্রতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ঝটিকা কিছু অভিযান চালালেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা, যা এলাকাবাসীর অভিযোগ।
সরজমিনে দেখা গেছে , অধিকাংশ ফার্মেসিতে চলছে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা। হাতুড়ে চিকিৎসকদের ফাঁদে পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষ। ফার্মেসি গুলোতে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ঔষধ বিক্রি হচ্ছে।যার মধ্যে বেশির ভাগ ভেজাল ও নিম্নমানের। এতে আর্থিক ও শারীরিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রোগী ও তার পরিবার।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব দোকানীরা বিভিন্ন কোম্পানি থেকে স্বল্প মূল্যে এসব ঔষধ ক্রয় করে দ্বিগুণ থেকে তিনগুন দামে তা বিক্রি করেন। ভুক্তভোগী দের দাবি, এসব অসাধু ঔষধ ব্যবসায়ীদের রুখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোর নিয়মিত তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক।
ওই জাতীয় কিছু ফার্মেসির সাথে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ফার্মেসির মালিক জানান, এইজন্য আমরা প্রতিমাসে থানায় নির্দিষ্ট পরিমাণ মাসোহারা দিয়ে থাকি। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে
তারা জানায়,থানা কর্তৃক নিযুক্ত “হ” আদ্যাক্ষর নামের এক সোর্স কে তারা নিয়মিত মাসোহারা বুঝিয়ে দেন।
এবিষয়ে পরশুরাম কেমিষ্ট এ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সভাপতি ইকরামুল হক চৌধুরী পিয়াশ কে ফোন করে ও পাওয়া যায়নি।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ফেনী অফিস সুত্র জানায়, ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণে অভিযান অব্যাহত আছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ