,


শিরোনাম:
«» তুরাগে গৃহবধু হত্যার অভিযোগে স্বামীর বন্ধু গ্রেফতার «» ভাড়া বাসায় অবস্থান করে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতী করতো তারা’ «» ঈশ্বরদীতে ২০০ লিটার মদসহ গ্রেফতার ১ «» ঈশ্বরদীতে নবজাতক হত্যার অভিযোগ সাবেক স্বাস্থ্যকর্মীর আকলিমার বিরুদ্ধে «» সাংবাদিকতার দায় একমাত্র জনসাধারণের কাছে:তিতুমীর «» ঈশ্বরদীতে প্রণোদনার সার-বীজ প্রদানে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রকৃত কৃষকদের «» ঈশ্বরদীতে বালু খেকোদের কবলে বিলিন হাজার হেক্টর ফসলি জমি, দিশেহারা কৃষক «» ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পালিত র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত «» চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাবেক এমপি ও জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদকের বাসভবনে হামলা «» চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষকলীগের অনুষ্ঠানে সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা মিনহাজ আহত

ফেনী-বিলোনিয়া সড়ক মাদক পাচারের প্রধান রুট

শিবব্রত,ফেনীঃফেনী-বিলোনিয়া সড়ক দিয়ে এদেশের বিভিন্ন স্থানে গোপনে পাচার করা হচ্ছে অবৈধ ভারতীয় ঔষধও মাদক। চোরাচালানিরা এসব অবৈধ দ্রব্য ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দিচ্ছে নানা কৌশলে। তবে পুলিশের জনবল পরিবহনসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি স্বল্পতায় ওই পাচার রোধ কার্যক্রম অনেকটাই সফল হচ্ছে না। পরশুরাম ও ফুলগাজী থানা পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ফেন্সিডিল ২০০০ এর অধিক বোতল, হেরোইন ১ কেজি, চোলাই মদ ৫০০ লিটার, গাজা ১০ কেজি, গুলিসহ অস্ত্র ৫টি ও প্রায় ১৫০০০ হাজার বোতল নিষিদ্ধ বল-বর্ধক ড্রিংকস, ড্রিংকস তৈরীর সরঞ্জাম, সোনা,পিতল, ও কষ্টি পাথরের মুর্তি উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় মামলা হয়েছে ৫০টি, গ্রেপ্তার হয়েছে ১৫০ জন ও বিভিন্ন মেয়াদে ভ্রাম্যমান আদালতের সাজা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে মাত্র ১০টি। তথ্যানুসন্ধান ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভারতীয় সীমান্ত পার হয়ে পরশুরামের বাউরপাথর,খিলপাড়া, বাঁশপদুয়া, নরনিয়া, চন্দনা, ইসলামপুর, সোনাপুর, সত্যনগর,রাজষপুর,মেলাঘর ও ফুলগাজীর, ধর্মপুর, জামুরা, গোসাইপুর ও শ্রীপুর হয়ে মোটর সাইকেল, এম্বুলেন্স ও বাহারী রকমের প্রাইভেট কার মাইক্রোবাস ও বিভিন্ন মালামালের ভিতর ও মানুষের শরীরে বিশেষ কায়দায় এসব অবৈধ দ্রব্য ও মাদক পরিবহন করা হয়। পুলিশের তৎপরতায় ও ওই সব মাদক সহ অবৈধ দ্রব্য উদ্ধার হলেও বিভিন্ন কৌশলে পুলিশের দৃষ্টি এড়িয়ে যথেচ্ছভাবে দেশের পাচার হচ্ছে ভারতীয় অবৈধ দ্রব্য ও মাদক। গোপন সূত্র মতে, ফেনী-বিলোনিয়া সড়কটির সাথে সীমান্তে বিভিন্ন এলাকা থেকে পাকা সড়ক এসে মিশেছে। বিলোনিয়া থেকে পরশুরাম সড়কের একেবারে কাছাকাছি পূর্বে ভারতীয় সীমান্ত এবং উত্তরে ভারতীয় সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় মাদক ব্যবসায়ী ও পাচারকারীরা বিভিন্ন কৌশলে ফেনী-বিলোনিয়া সড়কটি ব্যবহার করে থাকে। পরশুরাম থানা এবং বিজিবি সূত্র মতে, যদিও সীমান্তে কাঁটা তারের বেড়া নির্মিত হয়েছে কিন্তু চোরাচালানীরা মোবাইলের মাধ্যমে একেকজন অপরের সাথে যোগাযোগ করে সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে ভারতীয় বিএসএফ (বর্ডার সিকিউিরিটি ফোর্স) ও বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর ডিউটির সিফট্ধসঢ়; পরিবর্তনের সময় কাঁটা তারের উপর দিয়ে বা বেড়া নির্মিত রাস্তার নিচ দিয়ে অবৈধ ভারতীয় মালামাল পাচার করে। আর বাংলাদেশী পাচারকারীরা ওই সব মাল নিয়ে বাংলাদেশ সীমানায় ঢুকে পড়ে। পরে বিভিন্ন গ্রামীন সড়ক ও চোরাপথে ফেনী হয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে পুলিশ ও বিজিবির তৎতপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় চোরাচালানীরা মটর সাইকেল ও ট্রাক্টর চালিত ইঞ্জিন ব্যবহার করে। অনেকে আবার শরীরে বিশেষ কায়দায় বহন করে, কারন ব্যক্তি বিশেষে পুলিশি নজরদারী থাকে কম। ফুলগাজী থানার তথ্যমতে জানা যায়, শুধু পরশুরাম দিয়ে নয়, ফুলগাজীর এলাকার বিভিন্ন সীমান্ত বর্তী এলাকা দিয়েও একই কায়দায় চোরাচালানীরা মাদক নিয়ে আসে। সূত্র মতে মাদক ও অবৈধ চোরাচালানীরা বহনকারী হিসাবে অভাবী গরিব শ্রেনীর যুবক, কৃষক, মহিলাদের বহনের কাজে ব্যবহার করে থাকে। বহনকারীদের ১০ টাকা থেকে ৫০০০/১০০০০ টাকা দেওয়া হয়। অনেক সময় তারা মহিলা ও ছোট ছোট ছেলে মেয়েদেরকে ব্যবহার করে। মহিলারা তাদের শরীরে বিশেষ কৌশলে এগুলো বহন করে। মহিলা এবং ছোট বাচ্চাদের প্রতি পুলিশি নজরদারী অধিকাংশ সময়ই কম থাকে । মাদক বহনকারী একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায় যে, সীমান্ত থেকে ঢাকায় পৌছাতে কমপক্ষে ২৫টি জায়গায় চেকিং হয়। তারা অধিকাংশ থানা পুলিশ ও চেকিং পোস্টকে ম্যানেজ করে পার পেয়ে যায়। তবে মাদকব্যবসায়ীদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা ও উপদলীয় কোন্দল লেগে থাকায় অনেকেই পুলিশকে গোপনে সংবাদ দিয়ে থাকে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ