,


শিরোনাম:
«» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা। «» জিএম কাদেরের ফোন ছিনতাই করে ২৩ হাজার টাকা বিক্রি, বসুন্ধরা মার্কেট থেকে ৮ দিন পর খোলা ফোন উদ্ধার। «» শেরে-বাংলা নগরে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই চলছে সরকারি দপ্তরের গাড়ির তেল চুরি «» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ।

চেয়ারম্যানের ভাই কর্তৃক নারী উদ্যোক্তা লাঞ্চিত

 ছাতক প্রতিনিধিঃ ছাতকে এক ইউপি চেয়ারম্যানের ফুফাতো ভাই কর্তৃক এক নারী উদ্যোক্তাকে মারধোরসহ শারীরীকভাবে লাঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। একজন নারী উপকারভোগীর ভাতার বই কম্পিউটারে এমআইএস এন্ট্রি না থাকার অপরাধে ওই নারী উদ্দ্যোক্তাকে লাঞ্চিত করা হয়। এ ঘটনায় ওই নারী উদ্দ্যোক্তা বুধবার সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগ থেকে জানা যায়, জেলা প্রশাসক কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে উপজেলা কালারুকা ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে দীর্ঘ ১১ বছর ধরে কর্মরাত আছেন। তার দায়িত্বকালীন এ সময়ের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক কাজসহ সর্বসাধারনের ডিজিটাল সেবা দিয়ে আসছেন নিষ্ঠার সাথে। প্রায় একবছর ধরে কারনে-অকারনে আর ডিজিটাল কক্ষে আসা-যাওয়া শুরু করেন বর্তমান চেয়ারম্যানের ফুফাতো ভাই ছানাউর রহমান লাল মিয়া। তার আচার-আচরন এবং দৃষ্টিভঙ্গি ক্রমেই স্পষ্ট হতে থাকে ওই নারী উদ্যোক্তার কাছে। পরিষদের কোন দায়িত্বশীল না হওয়া সত্ত্বেও ডিজিটাল কক্ষে লাল মিয়ার নিয়মিত আসা-যাওয়ার পাশাপাশি অশালীন আচরন ও অশ্লীল আচরন করতো ওই নারী উদ্যোক্তার সাথে। প্রায়ই লাল মিয়া কু-দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শনসহ উত্যক্ত করতো তাকে। বিষয়টি পরিষদের চেয়ারম্যান অদুদ আলমকে জানালে কোন প্রতিকার পায়নি সে। সম্প্রতি তার জায়গায় অন্য একজনকে বসানোর জন্য চেষ্টা করতে থাকে লাল মিয়া। তার গতিবিধি অনুসরনসহ সম্মানহানীর অপচেষ্টায় লিপ্ত হয় লাল মিয়া। ১৬ মার্চ ইউনিয়নে একজন উপকার ভোগী বয়স্ক নারীর ভাতার বই এমআইএস এন্টি না হওয়ার অজুহাতে ওই নারী উদ্যোক্তাকে অশালীন গালি গালাজ ও মারধোর করে কক্ষ থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা চালায় ছানাউর রহমান লাল মিয়া। চেয়ারম্যানের ভাই হওয়ার সুবাদে এসব সহ্য করেও তাকে বুঝানোর চেষ্টা করেন ওই নারী উদ্যোক্তা। বর্তমানে লাল মিয়ার ভয়ে সে শারীরীক, মানষিক নারীত্ব রক্ষার ব্যাপারে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন। এ বিষয়ে সুবিচারের বিচারের জন্য জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করেন ওই নারী উদ্যোক্তা।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ