,


শিরোনাম:
«» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা। «» জিএম কাদেরের ফোন ছিনতাই করে ২৩ হাজার টাকা বিক্রি, বসুন্ধরা মার্কেট থেকে ৮ দিন পর খোলা ফোন উদ্ধার। «» শেরে-বাংলা নগরে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই চলছে সরকারি দপ্তরের গাড়ির তেল চুরি «» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ।

বিলোনিয়া স্থল বন্দর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি ভারত!

শিবব্রতঃগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীন সম্পদ বিভাগ জাতীয়
রাজস্ব বোর্ড (শুল্ক) গত ২০০৯ এর ১১ জুন এক প্রজ্ঞাপনে বিলোনীয়াকে
স্থল বন্দর হিসাবে ঘোষনা করেছে । জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (শুল্ক)
রাষ্টপতির আদেশ ক্রমে ভারপ্রাপ্ত সচিব ডঃ নাসির আহম্মদ স্বাক্ষরিত
প্রজ্ঞাপনের (নং ২৬২/২০০৮) শুল্ক ফেনী জেলাধীন পরশুরাম উপজেলার
বিলোনিয়া স্থল বন্দর দিয়ে ভারত বাংলাদেশ উভয় দেশের চাহিদানুসারে
বৈধ পণ্য আমদানী রপ্তানীর রুট হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
সেইলক্ষ্যে ওই সালের চার অক্টোবর দুই দেশের সরকারের উচ্চ পর্যায়ের
কর্মকর্তা ও বাংলাদেশের তৎকালীন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহাজাহান খান
এবং ভারতের ত্রিপুরা প্রদেশের তৎকালীন বাণিজ্য মন্ত্রী জিতেন্দ্র
চৌধুরীর উপস্থিতিতে দুই দেশের স্বার্থ বিবেচনা তথা পারস্পরিক
সমঝোতার দৃঢ় আশ্বাস দিয়ে বিলোনিয়া স্থল বন্দরের আনুষ্টানিক যাত্রা
শুরু হয়। এই যাত্রার প্রাক্কালে তৎকালীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের
নৌপরিবহণ মন্ত্রী শাহাজাহান খান ঘোষণা দিয়েছিলেন এই
বিলোনিয়া স্থল বন্দর বাংলাদেশের একটি মডেল হয়ে থাকবে। এবং অল্প
সময়ের মধ্যে বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বাংলাদেশ ভারতের
চাহিদানুযায়ী পন্য ওই দেশে রপ্তানী করবে। পক্ষান্তরে ভারত ও বাংলাদেশের
চাহিদানুযায়ী পন্য এদেশকে দিতে হবে । বাংলাদেশের মন্ত্রীর ঘোষনার পর
ভারতের ুত্রিপুরা রাজ্যের তৎকালীন বানিজ্য মন্ত্রী জিতেন্দ্র চৌধুরী
বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে ভারতের জন্য ইট, সিমেন্ট, পাথর সহ তাদের
চাহিদা অনুযায়ী ঐসব পন্য ভারতে নিবে এবং ভারত থেকে বাংলাদেশের
চাহিদা অনুযায়ী কাঠ, সার্জিকেল সরঞ্চাম, গবাদি পশু ও শুটকী রপ্তানী
করবে। কিন্তু বাংলাদেশের চাহিদানুযায়ী বৈধ পন্য ভারত কখন দিবে সেটা
মাননীয় মন্ত্রী সাহেবেই জানেন, যা স্থানীয় জনগণের
অভিযোগ।বন্দরের আনুষ্টানিক যাত্রার লগ্ন থেকে অদ্যাবধি পযর্ন্ত যে
ভাবে বাংলাদেশে থেকে ভারতের চাহিদানুযায়ী ইট ,সিমেন্ট, পাথর এবং
অন্যান্য সামগ্রী রপ্তানী হচ্ছে ,সেই তুলনায় বাংলাদেশের চাহিদা
অনুযায়ী ভারত কিছুই দিচ্ছেনা বা ঐদেশ থেকে পন্য আমদানীর ক্ষেত্রে
ওই দেশের এজেন্টরা বাংলাদেশের এজেন্টদের উপর যে সব অপ্রাসাঙ্গিক
শর্ত জুড়ে দিচ্ছে তা পালন করে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের ওই দেশ থেকে
আদৌ পন্য আমদানী করা সম্ভ^ব নয়, যা এই দেশের আমদানী ও রপ্তানী
কারক লাইন্সেস ধারীদের অভিযোগ।

এই দিকে দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে অবকাঠামোর অভাব থাকলেও ইতিমধ্যে
বন্দরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পুর্ণাঙ্গ বন্দর গঠনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয়
জায়গায় ক্রয় করেছে এবং অবিলম্বে বন্দরের অবকাঠামো নির্মানের
কাজ শুরু হবে।
এই ছাড়া রয়েছে বন্দরের শ্রমিক অসন্তোষ একটি প্রকট সমস্যা যা
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, ওই সূত্র আরও জানায় এই বন্দরের ইমিগ্রেসন
দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১০/১৫ জন যাত্রী পার্সপোটের মাধ্যমে আসা
যাওযা করে। ইমিগ্রেসনের কিছু অসাধু কর্মচারী ও কতিপয় দালালেরা
উক্ত যাত্রীদেরকে অনৈতিকভাবে টাকা আদায়ের জন্য বিভিন্নভাবে
হয়রানী করে থাকে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ