,


শিরোনাম:
«» ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩ দোকান মালিকরা পেলেন প্রধানমন্ত্রীর অনুদান «» যৌতুক না পেয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, গৃহবধূকে মারধর «» তুরাগে ১৫০টি দোকানের বিদ্যুৎ বিল মাসে ৭০০ টাকা দেখিয়ে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎকারী নামধারী নেতা গ্রেফতার। «» তুরাগে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম শুরু «» তুরাগে ২ বছরের শিশু ধর্ষণ : ধর্ষক মামুন আটক। «» ইদ-ই-মিলাদুন্নবি উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে স্বপ্নালোড়ন বাংলাদেশ «» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা। «» জিএম কাদেরের ফোন ছিনতাই করে ২৩ হাজার টাকা বিক্রি, বসুন্ধরা মার্কেট থেকে ৮ দিন পর খোলা ফোন উদ্ধার। «» শেরে-বাংলা নগরে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই চলছে সরকারি দপ্তরের গাড়ির তেল চুরি «» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপর ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ!!

ঈশ্বরদী প্রতিনিধিঃ পাবনা ঈশ্বরদীতে (২৭ শে ফ্রেব্রুয়ারি) শনিবার রাতে গোপন সংবাদে ঈশ্বরদী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পাবনা “খ”সার্কেলের অফিসার ইনচার্জ মোঃ সানোয়ার হোসেন অভিযান চালিয়ে ১৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। এ বিষয়ে খবর পেয়ে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের কাছে জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলে পুলিশ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রানা ঘরামী (১৯) ও মোঃ রুবেল হোসেনকে আটক করে নিয়ে গেছেন। ঘটনার বিষয় জানতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে গিয়ে দেখা যায় একজন আসামী মোঃ রানা ঘরামী ( ১৯)পিতা মান্নান ঘরামী সা; দীঘা বাগানপাড়া , ঈশ্বরদী,থানা জেলা পাবনা আসামীর হাতে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছে। দুইজন আসামী গ্রেফতারের বিষয়ে জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পাবনা “খ”সার্কেল ঈশ্বরদী অফিসার ইনচার্জ মোঃ সানোয়ার হোসেন বলেন আমরা দুইজন নয় একজন আসামীকে ৫০ পিস ইয়াবা সহ আটক করেছি। অতঃপর আসামীর বাড়িতে ফিরে মোঃ রুবের স্ত্রী মোছাঃ কেয়া খাতুন ও আসামী রুবেল হোসেনের বৃদ্ধা মাতা ও প্রত্যক্ষদর্শীর সাথে কথা বলে জানান যায় মাদক সহ মোঃ রুবেল হোসেন ও রানা ঘরামীর ঘর থেকে প্রায় ১৩ শ পিস ইয়াবা সহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযানিক টিম হাতে নাতে আটক করে । এসময় রুবেল এর স্ত্রী কেয়া খাতুন ও হার্ডের রোগী বৃদ্ধা মাতার হাতে হ্যান্ডকাফ লাগানো হয়। এসময় বৃদ্ধা মাতা ভয়ে অচেতন হয়ে পরে। কিছুক্ষণ মাথায় পানি ঢেলে জ্ঞান ফিরে পায়। একপর্যায় আসামী রুবেল হোসেনের স্ত্রী কেয়ার সাথে টাকার বিনিময়ে আসামী মোঃ রুবেলকে ছেড়ে দেয়ার কথা বলে ২ লক্ষ্য ৫০ হাজার টাকায় রফাদফা হয়। তাৎক্ষণিক নগদ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় ঈশ্বরদী পাবনা “খ”সার্কেল অফিসের( ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা মোঃ সানোয়ার হোসেন। বাকি ২ লক্ষ্য টাকা পরের দিন ব্যাংক আওয়ার দেয়ার চুক্তিতে আসামী রুবেল হোসেন ও রানা কে নিয়ে যাওয়া হয়। অতঃপর,পরের দিন (২৮ শে ফ্রেব্রয়ারী) মিউচুয়াল ব্যাংক পাবনা শাখা থেকে টাকা উক্তোলন করে রুবেলের শ্বশুরের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অফিসের (ভারপ্রাপ্ত)উপ-পরিদর্শক হাফিজুলের হাতে টাকা দেয় বলে রুবেলের শশুর জানান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে পরের দিন সকাল আনুমানিক ১০:৩০ মিনিটের সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঈশ্বরদী “খ” সার্কেল অফিসে সাংবাদিকরা উপস্থিত হলে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে ২ লাখ টাকা ফেরৎ বাকি ৫০ হাজার টাকা না দিয়ে ঘটনাটি দামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে থাকা কর্মকর্তারা। গোপন সুত্রে জানা গেছে রানা ঘরামী কে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঈশ্বরদী “খ” সার্কেল অফিসে রাখা হয় অপর আসামি রুবেল হোসেন কে আপোষ রফায় ছেড়ে দিবে বলে অফিসের বাহিরে তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছিল। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্যে একই সময় দু’জন কে আটকের ঘটনার নাটক সাজিয়ে পৃথক পৃথক ভাবে দুটি মামলা দেয়া হয়েছে। এদিকে এঘটনায় রুবেল হোসেন এর স্ত্রী মুঠোফোনে এ প্রতিবেদক কে জানান মামলা যখন দিয়েছে আমার টাকা ফেরৎ চাই। উপরোক্ত বিষয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পাবনা সার্কেল(খ) ঈশ্বরদী অফিস (ভারপ্রাপ্ত) পরিদর্শক মোঃ সানোয়ার হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন পাকশী গোল চত্বর থেকে রানা ঘরামি কে ৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে তার দেওয়া তথ্য মতে রুবেল পারভেজ কে ১০০ পিস ইয়াবা সহ তার বসত ঘর থেকে আটক করি। টাকা নেওয়ার বিষয়টি জিজ্ঞাসা করতেই সাথে থাকা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মোঃ হাফিজুল পকেট থেকে ১০০০ টাকা বের করে একপর্যায়ে সাংবাদিককে জোর করে দেয়ার চেষ্টা করা সহ সাংবাদিককে ভিডিও করে হুমকি প্রদান করেন। অন্যদিকে এ সকল ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে তথ্য প্রকাশ করার কারনে ২৯ শে ফ্রেব্রুয়ারি আটককৃত আসামী রুবেলের সালাকে আটক করে মামলার ভয় দেখিয়ে আরো ৫০ হাজার টাকা আদায় করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পাবনা “খ”সার্কেল ঈশ্বরদী অফিসার ইনচার্জ মোঃ সানোয়ার হোসেন। অনুসন্ধান চলমান……

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ