,


শিরোনাম:
«» তুরাগে গৃহবধু হত্যার অভিযোগে স্বামীর বন্ধু গ্রেফতার «» ভাড়া বাসায় অবস্থান করে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতী করতো তারা’ «» ঈশ্বরদীতে ২০০ লিটার মদসহ গ্রেফতার ১ «» ঈশ্বরদীতে নবজাতক হত্যার অভিযোগ সাবেক স্বাস্থ্যকর্মীর আকলিমার বিরুদ্ধে «» সাংবাদিকতার দায় একমাত্র জনসাধারণের কাছে:তিতুমীর «» ঈশ্বরদীতে প্রণোদনার সার-বীজ প্রদানে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রকৃত কৃষকদের «» ঈশ্বরদীতে বালু খেকোদের কবলে বিলিন হাজার হেক্টর ফসলি জমি, দিশেহারা কৃষক «» ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পালিত র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত «» চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাবেক এমপি ও জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদকের বাসভবনে হামলা «» চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষকলীগের অনুষ্ঠানে সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা মিনহাজ আহত

স্রষ্টা ও সৃষ্টি পর্ব -02

হযরত মাওলানা মুফতি রহমত উল্লাহ্,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকঃ এ সুন্দর ধরণী ও এর চার পাশে যা কিছু বিদ্দমান, আমরা যা কিছু দেখি আর না দেখি সবই মাখলুক।মানব-দানব, পশু-পাখি, চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র, আসমান-জমীন সবই অস্থায়ী।এ সব কিছুই এক সময় ছিলোনা, এখন আছে, আবার এক সময় ধংশ হয়ে যাবে।অর্থাৎ একদিন থাকবেনা।যিনি বিশ্বভ্রম্মান্ডের সকল প্রাণীর পিপাসা নিবারনের জন্য পানি দিয়েছেন তিনি হলেন আল্লাহ।যিনি বৃক্ষলতা সৃষ্টি করেছেন তিনি হলেন মহান আল্লাহ। আল্লাহ সুভানাহু ওয়াতাআ’লা তার কালামুল্লাহ শরীফের সূরা মুমিনের ৬২ নাম্বার আয়াতে তার সম্বন্ধে বলে প্রশ্ন করেন যে, “তিনিই আল্লাহ তোমাদের পালন কর্তা ,সব কিছুর স্রষ্টা,তিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই।অতএব তোমরা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছ?” সূরা বাকারার ১১৭ তম আয়াতে বলেন যে, “তিনি আবিষ্কর্তা আসমান সমুহ এবং জমীনের,আর যখন কোন কাজ সমাধা করতে চান, শুধু তাকে বলেন ‘হয়ে যাও’ তখনি তা হয়ে যায়।” স্রষ্টার অস্তিত্ব সম্পর্কে ইমাম আবু হানিফার সাথে এক নাস্তিকের বিতর্কঃ উমাইয়া খলিফা মাহদীর আমলে এক নাস্তিক তার দরবারে এসে বললো,আমি আল্লাহকে বিশ্বাস করিনা।আল্লাহ বা স্রষ্টা বলতে কিছু নেই।এই পৃথিবীর সব কিছুই স্বভাবতই সৃষ্টি হচ্ছে এবং ধ্বংস হচ্ছে।মানুষ জন্ম গ্রহণ করছে মারা যচ্ছে। এ সকল কিছুই প্রকৃতির নিয়মে হচ্ছে।এ ভাবে বিভিন্ন বিষয় তুলে সে মুসলিমদের মাঝে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলো।কেউ পারলে প্রমান করুক সৃষ্টি কর্তা বলে কেউ আছে! অহেতুক মানুষকে নিজ স্বাধীন মানসিকতা থেকে চাপ দিয়ে অদৃশ্য শক্তির অধীন করে রেখেছে।বড় কঠীন প্রশ্ন দেখে বাদশা ততকালীন সময়ের শ্রেষ্ট আলেম ইমাম আবু হানিফাকে বার্তা মাধ্যমে দরবারে আসার জন্য অনুরোধ করলেন।বার্তা-বাহক এসে বললেন হুজুর আসছে। রাতের প্রায় ১২ টা বেজে গেল কিন্তু ইমাম আবু হানিফার দেখা না পেয়ে নাস্তিক বেজায় খুশি, হুজুর মনে হয় ভয় পেয়েচে তাই আসছে না। তার ঔদ্দত্য আরো বেড়ে গেলো।খলিফা ও ভয় পেয়ে গেলেন আর অপেক্ষা করছেন।ঠিক ১ টা নাগাদ ইমামে আজম আবু হানিফা (রাঃ) এসে স্বজোরে সালাম দিয়ে প্রবেশ করলেন এবং প্রথমেই দেরি হওয়ার জন্য মাফ চেয়ে বললেন, দুইটি কারণে আমি আসতে দেরি করে ফেলেছি।আমি কজলা নদীর অপরপ্রান্তে থাকি।আর আপনার প্রাসাদে আসতে নদি পার হয়ে আসতে হয়।কিন্তু নদীর তীরে কোন নৌকা না পেয়ে অপেক্ষায় থাকি। হটাৎ দেখি নদীর মাঝখান থেকে প্রস্তুত করা কাঠ,তারকাটা/পেরেক ও আলকাতরা বেরিয়ে নিজে নিজে নৌকআ হয়ে আমার দিকে আসলো।আর আমি অবাক চোখে তাকিয়ে দেখি এবং তাতে আহরণ করি।এর মধ্যে বাতাস বইছে উলটো দিকে কিন্তু নৌকা স্রোতের বিপরীতে চলে আপনার প্রাসাদে আমাকে পৌছে দিয়েছে। এ শুনে নাস্তিক বলে উঠলো আপনাকে আমি বড় আমীর বলে শুনতাম কিন্তু এখন দেখছি আপনি দেখছি অবুঝ শিশুর মতো গল্প বলছেন।এটাকি সম্ভব যে এমনি এমনি নদীর ভেতর থেকে সব সরঞ্জাম এসে নৌকআ হয়ে যায়।একদম নাদান শিশুর ন্যায় কথা! ইমামে আজম বললেন, ভাই! এসব কথা নাদানী নির্বুদ্ধিতা নয়কি? নাস্তিক বললো, হ্যা! হ্যা! অবশ্যই! এবার ইমাম আবু হানিফা (রাঃ) বললেন, ভাই যদি এই সামান্য নৌকা বানানে ওয়ালা চাড়া তৈরী না হয়, চলতে না পারে তাহলে এই বিশ্বজগৎ কিভাবে কোন পরিচালক ছাড়া স্রষ্টা ছাড়া চলছে। বলো দেখি নাদান ও অজ্ঞ কি আমি নাকি তুমি? এতে নাস্তিক না জাওয়াব দিয়ে চলে গেলো।

 

 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ