,


শিরোনাম:
«» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ। «» শিবগঞ্জে অস্ত্র ও ককটেল সহ ১৩ মামলার আসামি গ্রেপ্তারে র‍্যাব «» চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স সম্পন্ন «» ফরিদগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ,অভিযুক্ত যুবক আটক «» মুহাম্মদ স: কে নিয়ে বিজেপি নেতাদের কটুক্তির প্রতিবাদে তুরাগ ও উত্তরায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে অনুষ্ঠিত। «» দুই সন্তান নাজমুল ও সুপারেশ কর্তৃক বৃদ্ধা মা লাঞ্ছিত” থানায় অভিযোগ «» রাজধানীর তুরাগে ডোবা থেকে অজ্ঞাত তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার

এবার সিলেট ছাতক সিমেন্ট কারখানার গ্যাসসংযোগ বিচ্ছিন্ন 

মোঃ খোরশেদ আলম, বিশেষ প্রতিনিধি বড় সঙ্কটে পড়েছে ছাতক সিমেন্ট কারখানা। উৎপাদন বন্ধ থাকা এই কারাখানার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে জালালাবাদ গ্যাস। প্রায় ৩১ কোটি টাকা বিল অনাদায়ে গ্যাস সংযোগ সোমবার বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। চুনাপাথর সঙ্কটের কারণে সপ্তাহ ধরে সরকারি মালিকানাধীন দেশের প্রাচীন এই সারকারখানায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। জালালাবাদ গ্যাস সূত্রে জানা যায়, ছাতক সিমেন্ট কারখানার কাছে বকেয়া গ্যাস বিল বাবদ প্রায় ৩১ কোটি টাকা পাওয়া রয়েছে। বকেয়া বিল পরিশোধের জন্যে সিমেন্ট কারখানা কর্তৃপক্ষকে কয়েকবার লিখিত তাগিদ দেয়। একিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ বিল পরিশোধ করেনি। ফলে সোমবার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। উৎপাদন বন্ধ থাকলেও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় দুর্ভোগ পড়েছেন কারখানার আবাসিক গ্রাহকরা। শ্রমিকদের অভিযোগ, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও দুর্নীতির কারণে এমন পরিস্থির সৃষ্টি হয়েছে। গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নের তথ্য নিশ্চিত করে ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এফএম বারী বলেন, বকেয়া বিল পরিশোধ করে দুএকদিনের মধ্যে গ্যাস সংযোগ চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে। এক সপ্তাহ ধরে কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকার বিষয়ে এফএম বারী জানান, চুনাপাথর সংকটের কারনেই বর্তমানে কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এদিকে কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। বেকার হয়ে পড়েছেন কারখানার অস্থায়ী শতাধিক শ্রমিক। ১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কারখানাটি বিসিআইসির একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান ছিলো। দূর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে কারখানাটি ধীরে ধীরে একটি লোকসানি প্রতিষ্টানে রূপ নেয়। একাধিকবার ব্যালেন্সিং মর্ডানাইজেশন রেনোভেশন এন্ড এক্সপেনশননের (বিএমআরই) মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে কারখানাটি উৎপাদন সচল রাখা হয়। গত এক বছর ধরে কারখানায় একটি কিলনের মাধ্যমে উৎপাদন সচল রাখা হয়। একটি কিলন কয়েক বছর আগে থেকেই বিকল হয়ে পড়ে। চালু থাকা কিলনটি প্রায়ই বন্ধ হয়ে মাঝেমধ্যে উৎপাদন পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ