,


শিরোনাম:
«» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা। «» জিএম কাদেরের ফোন ছিনতাই করে ২৩ হাজার টাকা বিক্রি, বসুন্ধরা মার্কেট থেকে ৮ দিন পর খোলা ফোন উদ্ধার। «» শেরে-বাংলা নগরে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই চলছে সরকারি দপ্তরের গাড়ির তেল চুরি «» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ।

মিয়ারমারে জরুরী অবস্থা থাকার পরে ও টেকনাফে সমালোচিত সাবরাং এলাকা থেকে ১ লাখ পাঁচ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

 নুরুল আলম টেকনাফঃ টেকনাফে সীমান্তে সাবরাং এলাকায় নাফ নদীতে সংলগ্ন অভিযান পরিচালনা করে ১ লাখ পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এসময় পাচারকারী জিরো সীমানা অতিক্রম করে মিয়ানমার সীমান্তে চলে যাওয়ায় আটক করা সম্ভব হয়নি। ৫ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল ১০ টায় টেকনাফ কোস্ট গার্ড স্টেশন কমান্ডার লেঃ কমান্ডার সায়েদুল মুরসালিন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উক্ত তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মিয়ানমার হতে নাফ নদী হয়ে সাবরাং বড়খাল এলাকা দিয়ে শুক্রবার গভীর রাতে ইয়াবা চালান আসার গোপন সংবাদ পেয়ে কোস্ট গার্ড জওয়ানরা টহল জোরদার করে। এক পর্যায়ে নাফ নদীর মিয়ানমার সিমানা অতিক্রম করে একজন ব্যক্তি সাতার কেটে বাংলাদেশ সীমানায় প্রবেশ করতে দেখা যায়। কোস্টগার্ড সদস্যরা দূরবর্তী ওই ব্যক্তিকে টর্চের আলোতে দেখার চেষ্টা করলে সাথে একটি সাদা বস্তাও দেখতে পায়। পরবর্তীতে ওই ব্যক্তি বস্তাটি ভাসিয়ে দিয়ে ফের মিয়ানমার সিমান্তে চলে যায়। পরে কোস্ট গার্ড সদস্যরা বস্তাটি উদ্ধার করে বস্তার ভিতর প্লাস্টিকে মোড়ানো ১ লাখ পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে। জব্দকৃত ইয়াবাগুলো আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। কোস্ট গার্ডের ওই কর্মকর্তা আরো জানান, কোস্ট গার্ডের আওতাভুক্ত এলাকা সমুহে আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রন, জন নিরাপত্তার পাশাপাশি বনদস্যুতা, ডাকাতি দমন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছে। তিনি টেকনাফকে ইয়াবা ও মাদকমুক্ত করতে সংবাদকর্মীসহ সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। এদিকে মালিক বিহীন পরিত্যক্ত ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় সাধারন মানুষের মাঝে নানা প্রশ্নের জম্ম দিয়েছে। এ প্রশ্নের জবাবে কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা জানান, রাতের আঁধারে নাফ নদীতে অভিযান পরিচালনা করা খুবই কঠিন। অনেক সময় কোয়াশা থাকায় সীমানা নির্ণয় মুশকিল হয়ে যায়। এ সুযোগে পাচারকারীরা আইনশৃংখলা বাহিনীর স্টিমার কিংবা ট্রলার দেখলেই মিয়ানমারের দিকে চলে যায়। ফলে আটক করা সম্ভব হয়না।বলে জানিয়েছেন কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তা গন।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ