,


শিরোনাম:
«» রাজধানীর তুরাগে ডোবা থেকে অজ্ঞাত তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার «» উত্তরায় মা দিবস উপলক্ষে ৩০জন রত্নগর্ভা ‘মা’কে সম্মাননা «» উত্তরায় শিনশিন জাপান হাসপাতালে রোগীকে আটক রেখে নয় লাখ টাকা বিল। «» আবদুল আউয়াল ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ «» তুরাগ বাসীসহ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কৃষকলীগের সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন «» চাঁপাইনবাবগঞ্জে সার ডিলারদের অনিয়মে জিম্মি কৃষক ও চাষিরা «» ঢাকা-আশুলিয়া মহাসড়কে গাড়ির চাপায় সাবেক পুলিশ সদস্য নিহত «» চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান এমপি হাবিব হাসান। «» মশার অসহ্যকর যন্ত্রণায় তিক্ত তুরাগবাসী, দায়িত্বশীলরা বলছেন অসহায়ত্বের কথা «» তুরাগে মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করাকে কেন্দ্র করে পুলিশের উপর বস্তিবাসীর হামলা। 

সংবাদ কর্মীর উপর হামলা চেষ্টায় হযরত ও তার একাধিক দল

 ফাহিম ফরহাদ, বিশেষ প্রতিবেদকঃ সকল তথ্য প্রমান সংগৃহিত আরও বিস্তারিত একাধিক প্রমান সংগ্রহ প্রকৃয়াধীন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে বছর পাঁচ হয়ে গেলো লেনাদেনায় কেউ টাকা পাবে দেইনি কিংবা দিবোনা এমনটি কেউ বলতে পারবেনা, তবে ছোটো একটা ভূল করেছি বেয়াদব টাইপ ২/১ জনের নিকট সাহায্য সহযোগীতা আশাবাদী হয়েছিলাম। জোড়বাগান নিবাসি, কথিত পুলিশ সোর্স পরিচয়দানকারী হযরত, মাদক ব্যবসায়ী, শেবনকারী ও মটরবাইক চুরী/ডাকাতি/ পাচারকারী হিসেবে রয়েছে হযরত’র বিশাল গ্যাং ও খ্যাতি, এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাণিহাটি নিবাসি জনৈক ব্যাক্তির নিকট চুরীর মটরবাইক লেনদেন করার বিষয়েও নিশ্চিত হওয়া যায়। এই হযরত কর্তৃক হুমকির শিকার হতে হচ্ছে, প্রতিনিয়তই দেশের একজন নাগরিক ও সংবাদকর্মী হয়েও, এই হযরত ওরফে মাল ভাই, হযরত’র অপর এক নাম মাল ভাই (বোমা, ককটেল ফাঁটাতে পারে জোড়ালো) তাই এ নামেও চেনেন হযরতকে তার নিজ এলাকার অনেকেই। তারপর হামলার শিকার হোলাম একদিন রাতে তার গ্যাংসহ, সকলের নাম তথ্য সংগ্রহ রয়েছে আমার পরিবার ও অফিসে, বারোঘরিয়া বাজারে ডেকে নিয়ে আমাকে জিম্মি করে ছবী তোলে ওরা আমাকে আটকে রেখেছে লোকজন নিয়ে চারপাশ ঘিরে, চাঁদা না দিলে আমার ছবী ভাইরাল করারও হুমকি দেন। পরিবার সদর থানা পুলিশ নিয়ে আমাকে উদ্ধার করে সেদিন, এবার মসজিদপাড়া নিবাসি (লইলাপাড়া) এলাকা’র আব্দুস সাত্তার (মহরি ভূমী রেজিস্ট্রি অফিস) আমার মটর বাইকের এফিডেবিট করে না দেয়ার কথা বলে হাতিয়ে নেয় ১০,০০০৳ অপর এক জোড়বাগান নিবাসি আবু বাক্কার সিদ্দিক কর্তৃক (নিজ মুখে কিছুদিন পূর্বে শিকারোক্তি দেয় রানিং কোনও এক মামলার আসামি, প্রশাসন চাইলে প্রমান করে নিন (সে বাক্কার নিজ মুখে বলে), এস আই আবু আব্দুল্লাহ্ জাহিদ ভাইয়ের সামনে আমাকে তার নামও মুখে নিতে/প্রকাশ করতে বারন করেন) আমার বাইকটি হারানোর পর যেদিন জাহিদ ভাই তোলে দেন আমার হাতে উদ্ধারপূর্বক, প্রায় ১০-১৫ দিন পর নিতে যাই।

কথা ছিলো একদিন পর, তবে আমি অপেক্ষা করেছিলাম বিবাদি কেও জাহিদ ভাইয়ের ডাকে সাড়া না দিলে পরপর ১ এর ভেতর ১০-১৫ দিন পর নিয়েছি বুঝে আমারি বাইকটি, শুধু ওদের কথা ভেবে। তদন্ত প্রমান’র অপেক্ষায় ছিলাম মাত্র, বারংবার এ সপ্তাহে ৩-৪ বার হুমকি ও আমার প্রাণ নাশের চেষ্টা করা ও ঘোষণার ঘটনা ঘটছে, কারন বুঝতে পারছিলামনা প্রথমে, সূত্রে জানতে পারি আমার স্ত্রী সদর হাসপাতাল স্টাফ নার্সেস সদস্য, আমি ঢাকার ছেলে (বাহির’র) গভঃ জব করে স্ত্রী বিধায় আমাকে এর আগেও কৌশলে বিপদে ফেলে ১৪-১৫ জন মিলে চাঁদা আদায় করে, পথে গতিরোধ করে টাকা পওনা বলে জনসম্মুখে আমার মানকে প্রশ্মবিদ্ধ করে। এবার আবারও পূর্ব শত্রুতার জেরধরে চাঁদা দাবি করে আসছে, দিতে অস্বিকৃতি জানালে গত পরশু রাতে পিটিআই পাম্পে আমার বাইকে তেল ভড়তে ও পাশে’র দোকানে রিচার্জ করতে গেলে আমাকে ধাওয়া করলে, আমার সাথে থাকা সহযোগী বন্ধুকে নিয়ে বাইকটি জোড়ে ড্রাইভ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করি নিজ প্রাণ রক্ষার্থে, শেষে সদর থানা ফটকে তাদের ডেকে নেয়ার চেষ্টা করিলে, হুমকিদাতা আবু বাক্কার কৌশলে কেঁটে পড়ে অপর ২ (সাত্তার মহরি ও হযরত কথিত পুলিশ সোর্স) কে পাঠায়, সামান্ন চিত্রে প্রমান রয়েছে ৩টি জায়গায় কপি করা, বিস্তারিত খবরে তথ্য চিত্রসহ থাকবে ধারাবাহিক পর্ব এ চক্রের বিষয়ে, দেখতে/জানতে সাথে থাকুন…. উল্লেখ্য, এক রাতে সাক্ষীর উপস্থিতিতে হযরত আমার গায়ে হাত তোলে এই ভেবে যে,, রাতের আধারে কর্তৃপক্ষ্যকে অবগত না করে মাদকব্যবসায়ীকে আটক করতে রাত ২-৩ টার দিকে গত ডিসেম্বরে, ২ কনস্টেবল সংঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এসআই উৎপল হযরত, সিএনজি চালক, বিএফটিভি লগোযুক্ত এক বাইক আরোহী পরিচয়বীহিনসহ অজ্ঞাত এক হানা দেন এক বাড়ীতে, জানতে পেড়ে ঘটনাস্থলে সহযোগী নিয়ে আমি স্টাফ রিপোর্টার ফাহিম হাজির হলে, আমার উপর হামলা করে হযরত ও তার লোকজন। এতে আমাকে কোনমতে বাইকযোগে নিয়ে আমার সংঙ্গী ঘটনাস্থল ত্যগ করে। থানায় অবগত করতে গেলে তখন সে বিষয়টি, দেখি থানার রাইটার নেই রাতে তাই সকালে যেতে বলেন, ওসি মোজাফ্ফর সাহেব অপারেশন’র রোগী বিধায় একি পরামর্শ দেন সকালে আসেন। পরে কস্ট পেয়ে আর গেলামনা। এর পর এ ঘটনার পর ঐ হযরতের সাথে না চলার চেতনা নিয়ে এসআই উৎপল আমাকে বিষয়টি সমঝোতা করতে বল্লে রাজি না হলে, ভেবে বলেন যে, হযরতকে সোর্স হিসেবে রাখবেনা, কিছুদিন যেতেই মসজিদপাড়া এলাকার মাদক ব্যবসায়ী মামুন কে টোলঘড় হতো ধরা হয় ২০ বোতল ফেন্সিডিলসহ, চলান হয় ১০ বোতল দিয়ে, আমার হাত থেকে কৌশলে উৎেল নেন ১৭০০০৳ মামুনকে ব্যবসায়ী না করে মাদক সেবী হিসেবে চালান করার কথা বলে। তবে পরের দিন মামলার আইও আলমগীর ৩০০০৳ চেয়ে না পেলে হুমকি দামকি দেন মামুন’র পরিবারকে। ভাগে না পাওয়ায়। অস্বিকার করে টাকা পায়নি বলে কল কেঁটে দেয় উৎপল আসামী চালান’র পর থেকে কল পিক করেন না আমার। এবার আইনে আমাকে দোষী বানাতে না পেড়ে লেলীয়ে দেয়,সেই হযরত ওরফে মাল ভাইকে। হযরত আমাকে মারধর করতে না পেড়ে এসআই রেজাউল সদর থানায় জিডি করে শালিস করে রেজাউল। ভিত্তিহীন অভিযোগ গ্রহণে সন্দেহ ব্যগবান হয় আমার দেখছি হযরত এর সাথেও জানা গেছে আরও এক পুলিশের বিরুদ্ধে সাক্ষি দিয়ে ফাঁসিয়েছে হযরত। ওর ব্ল্যাকমেইল চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসি তবে বোমা ফাঁটায় অল্পতে এ ভয়ে কেউ মুখ খুলেনা। প্রশাসন চাইলে গোপনে তদন্ত করে দেখুন।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ