,


শিরোনাম:
«» রাজধানীর তুরাগে ডোবা থেকে অজ্ঞাত তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার «» উত্তরায় মা দিবস উপলক্ষে ৩০জন রত্নগর্ভা ‘মা’কে সম্মাননা «» উত্তরায় শিনশিন জাপান হাসপাতালে রোগীকে আটক রেখে নয় লাখ টাকা বিল। «» আবদুল আউয়াল ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ «» তুরাগ বাসীসহ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কৃষকলীগের সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন «» চাঁপাইনবাবগঞ্জে সার ডিলারদের অনিয়মে জিম্মি কৃষক ও চাষিরা «» ঢাকা-আশুলিয়া মহাসড়কে গাড়ির চাপায় সাবেক পুলিশ সদস্য নিহত «» চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান এমপি হাবিব হাসান। «» মশার অসহ্যকর যন্ত্রণায় তিক্ত তুরাগবাসী, দায়িত্বশীলরা বলছেন অসহায়ত্বের কথা «» তুরাগে মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করাকে কেন্দ্র করে পুলিশের উপর বস্তিবাসীর হামলা। 

সুনামগঞ্জে ৩৫ মামলায় ৪৯ শিশুকে বই উপহার দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়েছে আদালত

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া-হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জে ৩৫টি মামলার অভিযুক্ত ৪৯জন শিশু আসামীকে জেলহাজতে না পাঠিয়ে তাদের পরিবারে কাছে ফেরত পাঠিয়েছে আদালত। সেই সাথে প্রত্যেককে উপহার
হিসেবে দেওয়া হয়েছে বই। আজ বুধবার (২০শে জানুয়ারী) দুপুরে সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন
ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেন এই রায় দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়- মারামারি,বাঁধা প্রদান ও আসামী পলায়নের সহযোগীতা করাসহ আরো বিভিন্ন ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে ৪৯জন শিশুর বিরুদ্ধে ৩৫টি মামলা হয়। আর এই মামলাগুলো দীর্ঘদিন যাবত আদালতে চলমান রয়েছে। তাই বিজ্ঞ বিচারক তাদেরকে সংশোধনের জন্য কারাগারে না পাঠিয়ে তাদের বাবা-মায়ের কাছে হস্তান্তরের আদেশ দেন।

এবং আদালতের পক্ষ থেকে ১শ মনষীর জীবনী নামের বই ৪৯জন শিশুকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়।
শিশুদেরকে অপরাধ প্রবণতা থেকে রক্ষা করার জন্য সুন্দর পরিবেশে রেখে তাদেরকে যতœ সহকারে লালন-পালন করার পাশাপাশি ধর্মীয় অনুসাসন মানা ও ধর্মগ্রস্থ পাঠ করানোসহ অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করে বাবা-মায়ের আদেশ যেন মেনে চলে তার জন্য
জোড়ালো দায়িত্ব পালন করতে প্রত্যেক শিশুর পরিবারকে আহবান জানানো হয়। বিজ্ঞ বিচারকের আদেশ ও রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে আদালতে উপস্থিত থাকা বাদী-বিবাদীসহ সবস্থরের মানুষ। কারণ নিয়মানুযায়ী চলমান ৩৫টি মামলায় ৪৯জন
শিশুর প্রত্যেকেরই সাজা হওয়ার কথা ছিল। একারণে শিশুদের ভবিষ্যত জীবন ছিল অনিশ্চিত। কিন্তু বিজ্ঞ বিচারকের যুগান্তকারী পদক্ষেপের কারণে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেওয়া থেকে মুক্তি দিয়ে সুস্থ্য ও স্বাভাবিক জীবনে শিশুদের ফিরিয়ে নিতে সকল মামলাই নিষ্পত্তি করে দিয়ে সবাইকে চরম কষ্ঠ ও হয়রানী থেকে চিরতরে রক্ষা
করেছেন। এব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা শফিউল আলম বলেন-যে সব শর্তে শিশুদের সংশোধনের সুযোগ দিয়ে তাদের পরিবারের কাছে ফেরত পাঠানো হল,সেগুলো তারা পালন করছে কিনা তা আমরা পর্যবেক্ষণ করব এবং তিন মাস পরপর
আদালততে তা অবহিত করা হবে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ