,


শিরোনাম:
«» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ। «» শিবগঞ্জে অস্ত্র ও ককটেল সহ ১৩ মামলার আসামি গ্রেপ্তারে র‍্যাব «» চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স সম্পন্ন «» ফরিদগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ,অভিযুক্ত যুবক আটক «» মুহাম্মদ স: কে নিয়ে বিজেপি নেতাদের কটুক্তির প্রতিবাদে তুরাগ ও উত্তরায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে অনুষ্ঠিত। «» দুই সন্তান নাজমুল ও সুপারেশ কর্তৃক বৃদ্ধা মা লাঞ্ছিত” থানায় অভিযোগ «» রাজধানীর তুরাগে ডোবা থেকে অজ্ঞাত তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার «» উত্তরায় মা দিবস উপলক্ষে ৩০জন রত্নগর্ভা ‘মা’কে সম্মাননা «» উত্তরায় শিনশিন জাপান হাসপাতালে রোগীকে আটক রেখে নয় লাখ টাকা বিল।

সেন্টমার্টিনে ভ্রমণকারী পর্যটকদের মাঝে হয়রানী

নুরুল আলম” সোমবারে ১জানুয়ারী, ২০২১ স্বপ্নের দীপ টেকনাফ-সেন্টমার্টিন দেখার জন্য দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকদের ভোগান্তি এখনো শেষ হয়নি।পদে পদে হয়রানীর শিকার হচ্ছে বলে ভ্রমণে আসা পর্যটকগন জানান। প্রতিদিন সেন্টমার্টিন দ্বীপ ভ্রমণ করা জন্য কক্সবাজার হতে সরাসরি এম ভি,কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ও বেওয়ান নামে দু’টো জাহাজ এবং টেকনাফ দমদমিয়া হতে ৬টি পর্যটকবাহী জাহাজ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে যাতায়ত করছে। কিন্ত এই আনন্দ ভ্রমণে যোগ হয়েছে বেদনা।টেকনাফ থেকে ছেড়ে যাওয়া পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিনে পৌঁছলেও কক্সবাজার থেকে সরাসরি আসা কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ও বেওয়ানের যাত্রী না নামা পর্যন্ত ৬টি জাহাজের যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হয়।তাও অন্য ছোট জাহাজে করে জেটিতে নিয়ে আসে।আসা-যাওয়া উভয় সময়ে এই সমস্যা হচ্ছে বলে ভুক্তভোগী পর্যটকগন জানান। এছাড়া সেন্টমার্টিনের পর্যটক ওঠা-নামার জেটি একেবারে নড়ে বড়ে হয়ে পড়েছে। নামে মাত্র মেরামতের কার্যক্রম দেখিয়ে এই ঝুঁকি পূর্ণ জেটি দিয়ে পর্যটকদের উঠা-নামা এখনো করানো হচ্ছে বলে স্থানীয় লোকজন জানান। প্রতি বৎসর কক্সবাজার জেলা পরিষদ এই জেটি লক্ষ লক্ষ টাকার ইজারা দেয় অথচ মেরামতের বিষয়ে একেবারে নিশ্চুপ থাকে বলে স্থানীয় লোকজন ও জাহাজ মালিক পক্ষগণ জানান। সূত্রে জানায়,প্রতিদিনে ভ্রমণে আসা একজন পর্যটক থেকে জেটির টোল ৫০টাকা, বি ডব্লিউ টি২৫টাকা, টুয়াক ১০ টাকা,টেকনাফের জাহাজ ঘাটার জমিদারী ভূমি ভাড়া ৩৫ টাকা সহ মোট ১শত টাকা করে কেটে নেওয়া হচ্ছে। অথচ এই টাকা নেওয়ার পরও পর্যটকদের সুবিধার জন্য জাহাজের পল্টুন,জেটি আধুনিকায়ন করা হয়নি। সেন্টমার্টিনে বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণের জন্য কোন আধুনিক মানের যানবাহন নেই, বসার জন্য বিশ্রামাগার নেই ও পাবলিক টয়লেট নেই। প্রতিটি খাবার ও আবাসিক হোটেলে গলা কেটে বানিজ্য করা হচ্ছে। কোন নিয়ম নীতি নেই। এমনকি উচ্চ পর্যায়ের পর্যটক ছাড়া মধ্যম পরিবারের লোকজন সেন্টমার্টিনে রাতযাপন করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে ভ্রমণে আসা পর্যটকগণ জানান।সাধারণ আবাসিক হোটেলে ১বেড ১রুম ২হতে ৩হাজার টাকা,ডাবল ৪হতে ৫হাজার টাকা। উন্নতমানের আবাসিক হোটেলে একই রুম ১০হতে ১৫হাজার টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি সেন্টমার্টিনের প্রতিটি বাড়ি শীত মৌসুমে পর্যটক আগমন ঘটলে বাড়ী কাম আবাসিকে পরিনত হয়।এখানেও ২হতে আড়াই হাজার টাকা প্রতিটি রুম ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া প্রতিটি খাবার হোটেলে খাবারের দাম আকাশ ছোয়া।স্থানীয় ও পর্যটকদের ভাস্য হচ্ছে বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন দ্বীপ এখন পৃথিবীর দ্বিতীয় সিঙ্গাপুর। ধনি লোক ছাড়া সাধারণ ও মধ্যবিত্তের ভ্রমণ প্রাই বন্ধ হতে চলেছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ