,


শিরোনাম:
«» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ। «» শিবগঞ্জে অস্ত্র ও ককটেল সহ ১৩ মামলার আসামি গ্রেপ্তারে র‍্যাব «» চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স সম্পন্ন «» ফরিদগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ,অভিযুক্ত যুবক আটক

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের অভিযানে হেরোইন ও ফেনসিডিল সহ, গ্রেপ্তার-৩, অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ ভিকটিম পরিবার’র

ফাহিম ফরহাদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর মহানন্দা সেঁতুর টোলঘর এলাকায় ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ মসজিদ পাড়ার ১যুবক মামুন (আনু.২৪)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়াও চুরির অভিযোগে শুভ নামে আরেক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অপরদিকে সদর উপজেলার চাঁপাই-পলশা এলাকায় একটি বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৭০ গ্রাম হেরোইনসহ হাতেনাতে মোসা. আসিয়া খাতুন আসমা নামে ১ নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসমা আগে আলীনগর রেলবস্তি এলাকায় বসবাস করত। এর আগেও মাদক নিয়ে সে ধরা পড়েছিল পুলিশের হাতে।

জানাগেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ নভেম্বর শুক্রবার বিকেল ৫ টার দিকে চাঁপাই-পলশায় পুলিশ অফিসার এসআই উৎপল কুমার সরকারের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স এক বাড়িতে তল্লাশী চালায়। তল্লাসীর এক পর্যায়ে মাটির গর্তে বিশেষ কায়দায় রাখা একটি প্যাকেট উদ্ধার করে পুলিশ। গর্তটি যাতে কেউ বুঝতে না পারে সে জন্য গর্তের উপর ফুলের টব রাখা হয়েছিল। থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. মোজাফফর হোসেন মাদকসহ ৩ জনের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়াও তিনি মাদক বিক্রেতাদের হুঁশিয়ার করে দেন। মাদক বেচাবিক্রি বন্ধ করে সুস্থ ও সৎ পথে থেকে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতেও আহবান জানান ওসি মোজাফফর। এ সব ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এসআই উৎপল কর্তৃক জানা যায় যে, মামুনকে ২০পিস ফেন্সিডিল সহ টোলঘর মহানন্দা সেঁতুর নিকট হতে ধৃত করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে ফেন্সিডিলগুলো মতি নামে অজ্ঞাত সদর পৌর এালাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জে’র বাসিন্দার। তবে মামুন কিছু টাকার বিনীময়ে তা বহন করে মতির নিকট পৌছানোর দায়িত্ব্যে নিয়োজিত অবস্থায় এসআই উৎপল কর্তৃক ধৃত হয়। মামুনের পরিবার যখন লোক মারফত বিষয়টি জানবার জন্যে আজকের বসুন্ধরা স্টাফ রিপোর্টার’র আমি মো. ফাহিম ফরহাদের স্বরনাপণ্য হন। পরে আমি বিষয়টি জানতে সদর থানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে উপস্থিত হলে, এসআই উৎপল এ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মামুন’র পরিবার সূত্রে এও জানা যায় যে, আমার অনুপস্থিতিতে এসআই উৎপল মামলাটির বাদী হিসেবে মামুনের পরিবার’র মহিলাগণ হতে ২০,০০০৳ অবৈধ দাবী করেন। ১৭০০০৳ জোগাড় করে লেনদেন করতে থানায় আসেন মামুনের পরিবার, এমতাবস্থায় সাংবাদিকের উপস্থিতীতে এসআই উৎপল হিমশিমে পড়ে যায়, কিছু সময় সাংবাদিকের নজর এড়িয়ে কিছুক্ষণ পর টাকাটা লেনদেন সম্পন্ন করার সময় আমার নজরে আসে, পরে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এসআই উৎপল এ বিষয়ে কথা বলতে নারাজ প্রকাশ করে উদ্যত্তপূর্ণ আচরণ করে চলে যায়। পরবর্তীতে তাকে বারংবার কল করেও পাওয়া যায়নি। মামুনের পরিবার হতে তার মা বসু্ন্ধরা স্টাফকে জানায়, পরদিন শনিবারে মামলার আইও এএসআই আলমগীর মামুনের বাসায় কল করে ৩ হাজার টাকা দাবী করে বলেন টাকা দিলে মামলা হালকা করা হবে ও মারধর করা হবেনা।
বিষয়টি মামুনের পরিবার এসআই উৎপলকে অবহিত করলেও তিনি বলেন টাকা না দিতে। এসআই উৎপল বলে একবার টাকা দিছেন আর লাগবেনা এই বলে, মামুনের পরিবারকে বাসায় চলে যেতে বলে, (এসআই উৎপল) বাকিটা আমি দেখবো। তার পর মামুনের পরিবার জানতে পারে ১০ বোতল ফেন্সিডিল ব্যাবসায়ি হিসেবে মামলাটি রুজু করা হয়েছে ঠিকই। ক্ষুব্দ হয়ে আবার মামুনের পরিবার বসুন্ধরা স্টাফ হিসেবে আমাকে জানান যে, অবৈধ ১৭০০০৳ নিয়েছিলো মামলাটির সত্যতা হিসেবে উৎপল এসআই বসুন্ধরা প্রতিনিধিকে যার সত্যতা নিশ্চিত করেছিলো যে, মামুন অন্যের মাল বহন কিংবা ফেন্সিডিল মাদক সেবন কারী হিসেবে মামলাটি রুজু করবে। তা না করার কারন হিসেবে পরবর্তী দিনে শনিবার ০৫ নভেম্বর আলমঙ্গীর পুলিশ মামলার আইও হিসেবে ৩০০০৳ দাবী করলে তা না দেওয়ায় মামুনকে মাদকব্যাবসায়ী করে মামলাটি বাস্তবায়নে রুজু করেন। এ বিষয়ে মামুনের পরিবার জানায় তারা খুব অসহায় মানবেতর জীবনযাপন করেন। টাকাগুলো যোগাড় করতে পরিবারের বেগ পেতে হয়েছে এমনকি স্বর্ণের অর্ণামেন্টস কানের দূল বন্দকও রেখে টাকাগুলো সংগ্রহ করে দিয়েছিলো, মামলাটিতে যেনো সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে হয়। পরিবারটি অসহায় হয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাইপূর্বক আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের বিশেষ আকুতি মিনতি জোর আবেদন জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মহোদ্বয়ের নিকট।
এছাড়াও ভেনচুরীর অপরাধে ধৃত আসামির পরিবার হতে ২৫০০৳ নেওয়ার সময় আমি আজকের বসুন্ধরা স্টাফ হিসেবে ঠিক লেনদেনের পূর্ব সময় থানায় উপস্থিত হয়ে যাই, এসআই উৎপলের সম্মুখে সামনা সামনি হয়ে যাওয়ায়, ঘটনার মোড় ঘোড়াতে ঐ টাকাটাও আমার হাতে দিতে বলে পরিবারের লোকদের, ব্যার্থ চেষ্টা করেন এসআই উৎপল ও ভূক্তভূগী পরিবারের লোকজন। আমার অনিহাতে নিজেই টাকাটা গ্রহন করেন সবশেষে। তা থেকে আমাকেও ভাগ নিতে ব্যার্থ উৎসাহ যোগীয়েছিলেন সে সময় পুলিশের এ কর্মকর্তা, এসআই উৎপল কুমার সরকার সদর থানা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ