,


শিরোনাম:
«» কক্সবাজার টেকনাফের এডভোকেট আব্দুর রহমান ইয়াবাসহ তুরাগে পুলিশের জালে ধরা। «» জিএম কাদেরের ফোন ছিনতাই করে ২৩ হাজার টাকা বিক্রি, বসুন্ধরা মার্কেট থেকে ৮ দিন পর খোলা ফোন উদ্ধার। «» শেরে-বাংলা নগরে প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়েই চলছে সরকারি দপ্তরের গাড়ির তেল চুরি «» উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাইয়ের কবলে পথচারীরা। «» আব্দুল্লাহপুরের তালাবদ্ধ গরুর সিকল কেটে থানায় এনে চাঁদা আদায় ক্ষুব্দ গরুর মালিক  «» ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই ‘-শীর্ষক সেরা পাঠকদের পুরষ্কার বিতরণী «» মহানন্দা নদীতে যূবকের রহস্যজনক মৃত্যু হস্তক্ষেপ নেই দায়িত্বশীলদের «» জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র মাস্টার প্যারেড সম্পন্ন «» দখিনের দুয়ার উম্মোচনে ফরিদগঞ্জে আনন্দ র‍্যালী «» আব্দুল্লাহপুরে এনা পরিবহনের বাস চাপায় মৃত্যু পথযাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাআ’দ।

সাপাহারে এ প্রজের ব্লক না দেওয়ায় সদ্য নির্মিত রাস্তাটি এখন হুমকির মুখে

এম এ সৈয়দ তন্ময় রাজশাহী বিভাগীয় চীফ : নওগাঁয় সাপাহার উপজেলার সীমান্তবর্তী ঐতিহ্যবাহী জবই বিল গর্ভে নির্মিত ব্রীজের রাস্তার দুই সাইডের এ প্রজের ব্লক না দেওয়ার কারণে উভয় পার্শ্বের মাটি সরে গিয়ে সদ্য নির্মিত রাস্তাটি এখন হুমকির মুখে ।
জানা গেছে ১৫/১৬ইং অর্থ বছরে সরকারের এলজিইডি অধিপ্তরের তত্বাবোধায়নে এবং এশিয়ান ডেভোলপমেন্ট উন্নয়ন ব্যাংক (শ্রীপ) এর অর্থায়নে একটি ব্রীজ নির্মাণের কাজ গত জুন মাসে সমাপ্ত করা হয়। বিল গর্ভে সমস্ত রাস্তার উভয় পার্শ্বে ঢাল নির্মাণে সিসি ব্লক দিয়ে বাধাই করা হলেও রহস্য জনক কারণে বিলের মাঝ খানে ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার উভয় পার্শ্বে প্রায় তিনশ’ মিটার করে মোট ৬শ’মিটার এলাকায় সিসি ব্লক দিয়ে বাধাই ছাড়া স্থানটি অরক্ষিত রাখা হয়। ইতো পূর্বে স্থানীয় সাংবাদিকগণ রাস্তার ওই স্থানটির বর্নণা দিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করলেও কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নেয়নি। বর্তমানে বিলের পানি অর্ধেক ভর্তি হতে না হতেই অরক্ষিত ওই স্থানের রাস্তার দুই সাইডের এপ্রজের ব্লোক না দেওয়ার কারণে রাস্তার মাটি সরে গিয়ে ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে।
অচিরেই রাস্তাটির উভয় পার্শ্বে বাধাই করা না হলে অল্প দিনের মধ্যেই সম্পুর্ন রাস্তা ভেঙ্গে গিয়ে দু পারের লোকজনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন। এই বিষয়ে রাস্তা নির্মাণকারী ঠিকাদারী প্রাতিষ্ঠানের প্রধান সাদেকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সমস্ত রাস্তায় ঢাল বাধাই ও ব্রীজের জন্য বরাদ্দ দেয়া হলেও রাস্তার ওই অংশটুকুর জন্য বরাদ্দ না থাকায় তা বাধাই করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আমরাও কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি কিন্তু কোন কাজ হয়নি। অল্প সময়ের মধ্যে রাস্তার উভয় পার্শ্বে ঢাল বাধাই করা না হলে বর্ষার মধ্যেই রাস্তার ওই অংশটুকু বিল গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে বলেও তিনি মনে করেন। বিলের উভয় পারের হাজার হাজার জনগণ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ